২৭ জানুয়ারির মধ্যে ভিপি নুরের পাসপোর্টের অগ্রগতি জানানোর নির্দেশ


ঢাবি টাইমস
Published: 2020-01-22 17:39:11 BdST | Updated: 2020-02-17 15:02:20 BdST

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুরকে পাসপোর্ট না দেয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে কেন নুরকে পাসপোর্ট দেয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন উচ্চ আদালত। এ জন্য আগামী ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন আদালত।

শুনানিতে আদালত বলেন, ‘স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী যেখানে ভিপি নুরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। সেখানে নিরাপত্তার অজুহাতে কেন নুরের পাসপোর্ট দেয়া হচ্ছে না।’

পরে ভিপি নুরের পাসপোর্ট দেয়ার বিষয়ে আগামী ২৭ জানুয়ারির মধ্যে অগ্রগতি জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ওই সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট অধিদফতর ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ আদেশ বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আর সময় দেয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন কোর্ট।

বুধবার (২২ জানুয়ারি) পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী নুরের পাসপোর্ট না পাওয়ার বিষয়ে হাইকোর্টে করা রিটের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। বিচারপতি গৌবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে ভিপি নুরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসিন রশিদ।

এ বিষয়ে ভিপি নুর জানান, গত জুলাইয়ে নেপালের ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটিতে একটি সেমিনারে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ ছিল তার। জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট পেতে ব্যাংকে নির্ধারিত ফিসহ এপ্রিলে আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসে ফরম জমা দেন তিনি। সাতদিন পরই পাসপোর্ট হাতে পেয়ে যাবেন বলে ধারণা ছিল তার। কিন্তু এক মাসেও তা না পেয়ে তিনি পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বললে কোনো সদুত্তর মেলেনি।

পাসপোর্ট অধিদফতরের ডিজি জানান, তার বিরুদ্ধে মামলা থাকায় পাসপোর্ট দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। মামলা রয়েছে এমন অনেক রাজনৈতিক নেতা তাহলে কীভাবে পাসপোর্ট পান নুর তা জানতে চাইলে ডিজি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

ফলে গত বছরের আগস্ট মাসের শুরুর দিকে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ভিপি নুর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি এ দেশের নাগরিক। পাসপোর্ট পাওয়া আমার অধিকার। আমি ডাকসুর নির্বাচিত ভিপি অথচ আমাকে পাসপোর্ট দেয়া হচ্ছে না। আমি অসুস্থ। ভারতে গিয়ে চিকিৎসার চিন্তা ছিল। কিন্তু পাসপোর্টের অভাবে সেটাও সম্ভব হয়নি।’