প্রেমিকের পরিকল্পনাতেই স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ!


গাইবান্ধা
Published: 2020-07-28 19:04:16 BdST | Updated: 2020-08-10 14:11:42 BdST

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার মূল রহস্য বেরিয়ে এসেছে। গ্রেপ্তার হওয়া ধর্ষকরা স্বীকার করেন, প্রেমিক শিমুল মিয়া (২১) তার সহযোগি লম্পট সাদ্দামের সাথে পরিকল্পনা করেই এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে। মঙ্গলবার গ্রেপ্তার হওয়া ৬ জনের মধ্যে ৪ জন গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

তারা হলেন, উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের নাঁওভাঙ্গা গ্রামের মাহমুদ মিয়ার ছেলে এনামুল হক (৩০), আজিম উদ্দিনের ছেলে রেজাউল করিম (৩২), ভোলা মিয়ার ছেলে ধলু মিয়া (২৫) ও একই গ্রামের এজাদুর রহমানের ছেলে সুমন মিয়া (২৩)। জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাদের গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

এদিকে প্রেমিক শিমুল মিয়া ও ধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী সাদ্দামকে (৩৫) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

পুলিশ জানায় , শিমুল মিয়া গোবিন্দগঞ্জের শিবপুর গাবগাছি গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি বিবাহিত এবং তার সন্তান রয়েছে। যা কিশোরী প্রেমিকার কাছে গোপন করে তিনি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। ঘটনার দিন কিশোরীকে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে শিমুল বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে আসে। কিন্তু তার আসল উদ্দেশ্য ছিল বিয়ে করা নয় বরং মহিমাগঞ্জের দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রী ওই কিশোরীকে সকলে মিলে ধর্ষণ করা।

এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মেহেদী হাসান জানান, প্রতারক প্রেমিক শিমুল মিয়া রবিবার রাতে মহিমাগঞ্জের দশম শ্রেনির ওই স্কুলছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নাওভাঙ্গা গ্রামে নিয়ে এসে ধর্ষক ধলু মিয়ার বাড়িতে আটকে রাখে। এ সময় তার বন্ধুরা শিমুলকে মারপিটের অভিনয় করে। পরে সকলে মিলে মেয়েটিকে ওই বাড়িতে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করা হয়। তাদের খপ্পর থেকে মুক্তি পেয়ে স্কুলছাত্রীটি গোবিন্দগঞ্জ থানায় এসে ধর্ষণের বিষয়ে অভিযোগ করে। এ ঘটনায় পুলিশ সোমবার ভোরে ওই বাড়ি থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে।