উচ্চ বেতন স্কেলে সন্তুষ্ট প্রাথমিকের শিক্ষকরা


Dhaka
Published: 2020-08-14 06:30:30 BdST | Updated: 2020-09-20 15:58:44 BdST

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উচ্চতর স্কেল ঘোষণা করা হয়েছে। ১৩তম নতুন গ্রেড অনুযায়ী উচ্চতর স্কেলে বেতন প্রদান করা হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের সন্তোষ প্রকাশ করেছে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে উচ্চতর গ্রেডের স্কেল প্রজ্ঞাপন জারির পরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. সামছুদ্দিন মাসুদ বলেন, ‘সহকারী শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেডের বেতন প্রধানের সিদ্ধান্তে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি আমরা সন্তুষ্ট প্রকাশ করছি। সহকারী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণবিহীন ১৫ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৪ গ্রেড থেকে সরাসরি ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। এতে করে সিনিয়র শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড না দেয়ায় অনেকের বেতন কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। উচ্চতর গ্রেড প্রদান করে এখন আর কারও বেতন কমবে না।’

এ শিক্ষক নেতা বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে উচ্চতর গ্রেড ঘোষণা করা হলো, ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১৪ গ্রেডে উন্নীত হওয়ার শিক্ষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। প্রশিক্ষণ ছাড়া ১৫ গ্রেডের শিক্ষকরা সরাসরি ১৩ গ্রেডের সুবিধা পাবেন, ১৪ গ্রেডের শিক্ষকরাও ১৩ গ্রেডে বেতন পাবেন। ১৪ গ্রেডে শিক্ষকদের এক ধাপ বেতন স্কেল কমে যাবে।’

এ বিষয়টি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিবেচনা করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল দাবি, সহকারী শিক্ষকদের ১১ গ্রেডে উন্নীত করা।’ দ্রুত এ বিষয়ে নতুন করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানোর দাবি জানান এই শিক্ষক নেতা।

এদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ফেব্রুয়ারিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১৩তম গ্রেডে উন্নীত করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। যদিও এর ফলে শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে উন্নীত করার দাবি পূরণ হয়নি। এমনকি ১৩তম গ্রেডে কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের বেতন কমানোর অভিযোগও পাওয়া গেছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী শিক্ষকদের উন্নীত বেতন স্কেলে বেতন নির্ধারণ প্রসঙ্গে নতুন বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের উপসচিব হায়াত মো. ফিরোজ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বুধবার (১২ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নিকট পাঠিয়ে এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।