ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা ট্যালেন্ট তাঁরা


ঢাবি টাইমস
Published: 2020-03-13 00:21:04 BdST | Updated: 2020-07-11 11:28:07 BdST

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্য সংস্কৃতি চর্চার ধারা বেগবান করার উদ্দেশ্যে গত বছরের ১ থেকে ১৯ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলে ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ শীর্ষক প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়টির কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। সেই প্রতিযোগিতায় প্রতিটি হল থেকে প্রতিটি ইভেন্টে প্রথম স্থান অধিকারকারী প্রতিযোগীদের নিয়ে চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের পুরষ্কৃত করার মাধ্যমে এ প্রতিযোগিতার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

গত ৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী প্রতিযোগতায় প্রথম দিনে বিকাল ৪টায় একক আবৃত্তি ও সন্ধ্যা ৭টায় রবীন্দ্র সঙ্গীত, দ্বিতীয় দিনে বিকাল ৪টায় একক অভিনয় ও সন্ধ্যা ৭টায় আধুনিক নজরুল সঙ্গীত, তৃতীয় দিনে বিকাল ৪টায় একক নৃত্য ও সন্ধ্যা ৭টায় আধুনিক সঙ্গীত এবং আজ সমাপনী দিনে বিকাল ৩টায় লোক সঙ্গীত ও সন্ধ্যা ৬টায় পুরষ্কার বিতরণীর মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

.

 

  • প্রতিযোগতায় বিজয়ীরা হলেন- নজরুল সঙ্গীতে মনিকা দেব নাথ কথা, তৌহিদুল ইসলাম ও আকতারী সারা সাবা, রবীন্দ্র সঙ্গীতে মনিকা দেব নাথ কথা, মেরাজ উন নবী নোবেল ও সিথী কিবরিয়া, আধুনিক সঙ্গীতে তৌহিদুল ইসলাম, এইচ. এম. সালমান সাকিব ও আকতারী সারা সাবা, একক অভিনয়ে প্রণব বালা, মোহনা হোসেন ও আবু বক্কর সিদ্দিক, একক অভিনয়ে সুপ্তি দাশ চৈতী, মোকাররাবিন হক আশফি ও হুমায়রা তাবাসসুম, একক নৃত্যে হৃদয় সাহা, শাহ আলম ও মোতমাইনা মনি এবং লোক সঙ্গীতে নুরেজান্নাত আফরিস, মাহী আহসাব স্বপ্নীল ও মোকাররাবিন হক আশফি।

প্রতিযোগিতায় প্রধান বিচারক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন থিয়েটার এন্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আহমেদুল কবির। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা, থিয়েটার এন্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ, সঙ্গীত ও নৃত্যকলা বিভাগের বেশ কয়েকজন শিক্ষক।

অনুষ্ঠানে ট্যালেন্ট হান্টের সহকারী সমন্বয়ক রফিকুল ইসলাম তালুকদার সবুজ বলেন, ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতা আয়োজনের জার্নিটা অনেক কঠিন ছিল। বিপুল পরিমাণ অর্থও আমাদের ছিল না। তাই সীমিত অর্থের ভিতরে সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছি। আমাদের কষ্ট তখনই স্বার্থক হবে যখন এ ধরণের উদ্যোগগুলো আগামীতেও এগিয়ে নেয়া হবে।

এ সময় আয়োজনের সমন্বয়ক ও ডাকসু’র সংস্কৃতি সম্পাদক আসিফ তালুকদার বলেন, ডাকসু’র মেয়াদ প্রায় শেষ আমরা আর বেশিদিন থাকব না। আমাদের পরবর্তীতে যারা আসবেন তাদের প্রতি আহ্বান থাকবে, আপনারা এই উদ্যোগ অব্যাহত রাখবেন।

.

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অসীম কুমার উকিল বলেন, আজকে যারা এখানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে, তারা ভবিষতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই মানুষগুলোর হাত ধরেই আগামীতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। ডাকসু’র এই শুভ উদ্যোগের মাধ্যমে সোনার বাংলার সোনার মানুষ গড়ে উঠবে।

পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আশরাফুল আলম খোকন, জেএমআই গ্রপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক, ডাকসু সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) সাদ্দাম হোসেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যসহ ডাকসু এবং হল সংসদের নেতাকর্মীরা।