বইমেলায় ঢাবি শিক্ষার্থীদের লেখা বিশের অধিক বই প্রকাশিত


Dhaka
Published: 2020-02-19 03:50:17 BdST | Updated: 2020-03-31 11:58:22 BdST

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, নব্বুইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ সব আন্দোলন সংগ্রামে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের অবদান অনস্বীকার্য। আন্দোলন সংগ্রামের পাশাপাশি মেধা ও মননের চর্চায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জগৎজোড়া সুনাম ছিল, এখনও আছে। অমর একুশে গ্রন্থমেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর ঢাবি শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন বই প্রকাশ করে নিজেদের সাহিত্যিক প্রতিভার জানান দেয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এ বছর বইমেলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের বিশটিরও বেশি বই বের হয়েছে। তাদের নতুন বই নিয়ে আমাদের আজকের এই আয়োজন।

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের গল্প নিয়ে লেখা ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের ছাত্রী তমা রশিদের ‘নেক্সট সেমিস্টার কোপাই দিমু’ বইটি পাওয়া যাচ্ছে এবারের অমর একুশে বইমেলায়। বইটি প্রকাশ করেছে ‘অন্বেষা’ প্রকাশনী। অর্ধশত পৃষ্ঠার বইয়ের মূল্য ১৫০ টাকা। বইটি পাওয়া যাচ্ছে বইমেলার ৩৩ নম্বর স্টলে। বইটিতে আলোচিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুরু হওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীদের চাকরি কিংবা উদ্যোক্তা হওয়ার ভাবনা, সৃজনশীল কাজের উৎসাহ কিংবা সমাজসেবার পরিকল্পনা নিয়ে সংক্ষেপ কিন্তু ফলপ্রসূ আলোচনা। একজন সদ্য গ্র্যাজুয়েটের কাছে জিজ্ঞাসা করলেই তার স্মৃতি থেকে ঝরে পড়বে চমৎকার সব স্মৃতি আর বন্ধুত্বের কথা। এসব স্মৃতিকে সঙ্গী করে তাকে অনুপমরূপে মলাটবদ্ধ করেছেন তমা রশিদ। তার এই বই ‘নেক্সট সেমিস্টার কোপাই দিমু’ শিরোনামে লেখা হলেও এর মধ্যে স্থান পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সব অমূল্য উপলব্ধি। লেখকের চোখে রেজাল্ট আর এক্সট্রা-কারিকুলারের মতো বিষয়গুলো ওঠে এসেছে ভিন্ন উপলব্ধিতে। তাছাড়া বইতে দেয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত নানা রকম প্রায়োগিক বিষয়ের চমৎকার ব্যাখ্যা। সবকিছু মিলিয়ে শিরোনাম আর প্রতিপাদ্য জীবন্ত হয়েছে বইয়ের প্রতিটি পাতায় পাতায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রেবেকা সুলতানা। এবারের বইমেলায় ‘কথা রেখেছি’ নামে তার লেখা প্রথম গল্পের বই বের হয়েছে। বইটি প্রকাশ করেছে পরিলেখ প্রকাশনী (স্টল নম্বর ৭১৩)। এছাড়া, গতবছর বইমেলায় ‘পরিচয় জানা হলো না’ নামে তার একটি কবিতার বই বের হয়েছিল। বই রচনায় প্রেরণার বিষয়ে জানতে চাইলে রেবেকা বলেন, ২০১১ সালে এসএসসি পরীক্ষার দুই মাস আগে আমার বাবা মারা যায়। এজন্য আমার পরীক্ষা খারাপ হয়। ফল প্রকাশিত হওয়ার পর আমাকে পরিবার, আত্মীয়-স্বজনের অনেক কথা শুনতে হয়েছে। তখন তাদের কিছু বলতে না পেরে আমি তা লিখে রাখতাম। পরবর্তীতে বন্ধুদের সহযোগিতায় ও পরামর্শে আমি গল্প লেখা শুরু করি, যা এ বছর বই আকারে বের হয়েছে। এই বইতে যে গল্পগুলো রয়েছে, তাতে গ্রাম থেকে উঠে আসা একটা মেয়ের জীবনের ধাপে ধাপে যেসব প্রতিবন্ধকতা, সেগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। মেলার চতুর্থ দিন আমার বইটি বাজারে এসেছে। তারপর থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি।

ঢাবির সমাজবিজ্ঞান বিভাগে মেধাবী ছাত্র তৈমুর রহমান মৃধার প্রথম বই ‘অন্তিম অভিমান’ পাওয়া যাচ্ছে বইমেলায়। ‘বাংলার প্রকাশন’ থেকে প্রকাশিত বইটির প্রচ্ছদ করেছেন ঢাবির চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী শওকত শাওন এবং বইটির ভূমিকা লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য সংসদের সভাপতি সাদমান সাকিল। প্রথম বই প্রকাশের অনুভূতি জানতে চাইলে তৈমুর বলেন, ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল একদিন বইয়ের স্রষ্টা হব। অনেক জল্পনা-কল্পনার পর ‘অন্তিম অভিমান’ দিয়েই সূত্রপাত হল। প্রতিটিক্ষণ যেন আনন্দমুখর উৎসবে কাটছে। বই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তৈমুর বলেন, ‘অন্তিম অভিমান’ বইটি মোট দশটি গল্পের সংকলন। তবে নামগল্প হল ‘অন্তিম অভিমান’ যেটি আমার ব্যক্তিগতভাবে প্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ গল্পটি আমার জীবন-অভিজ্ঞতা থেকেই উৎসারিত। এছাড়া আরোকিছু গল্প রয়েছে যার কোন কোনটির মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি সমাজের রূঢ় বাস্তবতা। কোনটির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের শিহরণ জাগানো পরিস্থিতি। আবার কোনটির মাধ্যমে তো বিপ্লব ঘটিয়েছি কল্পবিজ্ঞানে।

বর্তমান সময়ে অনেকের বিশেষত বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মনে বহু প্রশ্ন জাগে। কিন্তু উত্তর মেলে না। কে আবার কী মনে করবে ভেবে কাউকে জিজ্ঞেস করতেও শংকাবোধ হয়। প্রশ্নগুলো অনেকটা এরকম : পুরুষের অর্ধেক সম্পত্তি কেন নারীর- এটা কি বৈষম্য নয়, জান্নাতে পুরুষের জন্য হুর থাকলে নারীর জন্য কী থাকবে, নারীরা কেন পুরুষের নামাজের ইমামতি করতে পারবে না, কোন নারীনবী নেই কেন, বহুবিবাহে কী কেবল পুরুষের স্বার্থে, নারীইবা কেন বহুবিবাহ করতে পারবে না, নারী-পুরুষ উভয়ের পর্দা হলে নারীর কথাই কেন আসবে, ইসলামে স্ত্রীর ডিভোর্স দেবার বিধান আছে কি না? ইত্যাদি। এমন প্রশ্নগুলো হয়তো আপনার মনেও জেগেছে কখনও কখনও। বন্ধুদের আড্ডায়ও এসে যেতে পারে টপিকগুলো। নিজে নিজে হয়তো ল্যাপটপের সামনে বসে গুগলিং করেছেন, লাইব্রেরি ওয়ার্ক করেছেন অথবা ফ্রেন্ডসার্কেলেও আলোচনা হয়েছে। কেউ কেউ উত্তর দেবার চেষ্টা করলেও মনঃপুত হবার মতো উত্তর দিতে পারেননি। তাই প্রশ্নগুলো প্রশ্নই রয়ে গেছে। একসময় হয়তো ভেবেই নিয়েছেন- এর উত্তর বোধহয় কারোই জানা নেই। এসব শুধুই বিশ্বাসের, যুক্তির বাইরে। মনে জমে থাকা সেই প্রশ্নগুলোকে মলাটবদ্ধ করেছেন লেখক। প্রচুর রেফারেন্স সম্বলিত যৌক্তিক আলোচনা করেছেন তিনি। ‘সমতাই কি জাস্টিস’ শীর্ষক গ্রন্থটি ‘চর্চা গ্রন্থ’ প্রকাশের প্যাভিলিয়নে (স্টল নং- ৩৪৮-৪৯) পাওয়া যাচ্ছে। বইটির লেখক ইয়াকুব আলী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা ববি লিখেছেন ‘রুবি রহস্য’। বইটি প্রকাশিত হয়েছে কেন্দ্রবিন্দু প্রকাশনী থেকে (স্টল নং ৪৯৬)। বই প্রকাশের বিষয়ে জানতে চাইলে ফারজানা ববি সংবাদকে বলেন, অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। যেভাবেই বলব মনে হবে খামতি আছে। এখন পর্যন্ত পাঠকদের দারুন সাড়া পেয়েছি। সামনে উপন্যাস লিখব। দুটো প্লট ধরে এগোচ্ছি। সমাজবিজ্ঞান বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী তৈমুর রহমান মৃধা লিখেছেন ‘অন্তিম অভিধান’। এই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী সুশীল মালাকার লিখেছেন ‘চেকপোস্ট’। বইটি পাওয়া যাচ্ছে প্রসিদ্ধ পাবলিশার্সে (স্টল নং ৭৪৭)। দাম মাত্র ১৫০ টাকা।

ঢাবির ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের তাজওয়ার রিজন ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী নিলয় সাঈদের তৃতীয় যৌথ কাব্যগ্রন্থ ‘পরাধীন কবিতা তোমাকে দেবো না প্রিয়’ বইমেলার এক রঙ্গা এক ঘুড়ি প্রকাশনীতে (স্টল নম্বর ৫৮৭) পাওয়া যাচ্ছে। কাব্যগ্রন্থটি সম্পর্কে তারা বলেন- একজন কবি একটি নির্দিষ্ট বোধের চর্চা করেন। তার লেখায় যেমন সমাজের প্রতি, মানুষের প্রতি তথা পৃথিবীর প্রতি ভালোবাসা কিংবা দায়বদ্ধতা ফুটে ওঠে, তেমনি ফুটে ওঠে সমাজের বিভিন্ন অসংগতি, অন্যায়, অনাচার ইত্যাদি। কবিরা মুক্ত স্বাধীন বিহঙ্গের মতো। অথচ যখন একজন কবিকে লিখতে বাধা দেয়া হয়, তার হাতে, তার আঙুলে অদৃশ্য শেকল পরিয়ে দেয়া হয়, সামাজিকতার পিছুটান অথবা অন্য সীমাবদ্ধতার কারণে যখন একজন কবি প্রকৃতপক্ষে যা লিখতে চান তা লিখতে না পারেন, তখন তিনি হয়ে ওঠেন পরাধীন।

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী অসিত দেবনাথ অন্ত লিখেছেন তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘সহস্রতম পূর্বপুরুষ’। বইটি প্রকাশ করেছে বাংলার প্রকাশন (স্টল নং ৩৩৭-৩৮)। তরুণ কথাসাহিত্যিক, ঢাবির মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী উলুল অন্তরের প্রথম উপন্যাস ‘সূর্যসারথি’ পাওয়া যাচ্ছে গ্রন্থিক প্রকাশনের ২১১নং স্টলে। বইটির দাম মাত্র ১৫০ টাকা। বইটি ইতোমধ্যে পাঠকদের আগ্রহ কেড়েছে। মেলায় প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের তালিকাতেও স্থান পেয়েছে সূর্যসারথি। বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণ-তরুণীদের বেঁচে থাকার লড়াই, বন্ধুত্ব, প্রেম, সাহিত্য-সংস্কৃতি, গণরুম জীবন, গেস্টরুম টর্চার, ছাত্র রাজনীতি ও ছাত্র আন্দোলনকে উপজীব্য করে লেখা হয়েছে ‘সূর্যসারথি’। এছাড়া, বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠনের হাতে নিহত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হাফিজুর মোল্লা, আবু বকর, বুয়েটের আবরার ফাহাদ ও পুরান ঢাকার দর্জি বিশ্বজিৎ দাসকে।

তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুম পারভেজ সানী, বিশ্ব ধর্মআন্তর্জাতিক ও সংস্কৃতি বিভাগের আনোয়ার হোসেন শ্রাবণ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের মো. মেহেদী মাসুদ পিয়াস এবং মনোয়ার হোসন হিরন মিলে লিখেছেন কাব্যগ্রন্থ ‘অভিমানের চিরকুট’। ঢাবির মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী উশান সাথী লিখেছেন ‘না’ তে দুঃখ নেই। জাগৃতি প্রকাশনীতে পাওয়া যাচ্ছে বইটি (স্টল নং ৩৭৩-৭৫)। কবি প্রকাশনী থেকে বের হয়েছে আবু সাঈদের ‘আত্মহত্যা’। পাওয়া যাচ্ছে কবি প্রকাশনীতে (স্টল নম্বর ১৮৭-৮)। সীমা পারভীনের লেখা কবিতার বই ‘অনুভূতির ময়নাতদন্ত’ পাওয়া যাচ্ছে কারুবাক প্রকাশনীতে (স্টল নম্বর ৩২৫)। বইটির মূল্য মাত্র ১০০ টাকা।

অমর একুশে বইমেলায় চিরদিন প্রকাশনীর ব্যানারে প্রকাশিত শামীম মাহমুদের উপন্যাস ‘এখানে আত্মারা আসে’ বইটি পাওয়া যাচ্ছে। আবদুল্লাহ মাহমুদ নাজিব রচিত গল্পের বই ‘মেঘপাখি’ পাওয়া যাচ্ছে ৬৪৬-৬৪৭ নম্বর স্টলে। গাজিউর রহমান সেলিম লিখেছেন উপন্যাসের বই ‘বন্ধুত্ব’। বইটি পাওয়া যাচ্ছে প্রিয়মুখ প্রকাশনীতে (স্টল নং ২৪৪-৪৬)। ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় গবেষণা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাইফুল্লাহ সাদেক লিখেছেন তার ভ্রমণবিষয়ক বই ‘আর্মেনিয়ার বাংলাদেশ’। বইটি প্রকাশ করেছে ‘স্বপ্ন’৭১ প্রকাশন’। পাওয়া যাচ্ছে স্টল-১৫৭, লিটল ম্যাগাজিন চত্বরে।

ঢাবির ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের আশিকুর রহমান খানের অনুবাদের বই ‘দ্য ডটার অব শার্লক হোমস’। মেলার প্রতিভা প্রকাশের স্টলে (২০৪-০৬ নম্বর) পাওয়া যাচ্ছে।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করা মনিরুজ্জামান মুন্না লিখেছেন ‘অচিন পাখি’। অরণ্য আপন লিখেছেন ‘মায়ের কবরের মতো আমি একা’। শাহ নেওয়াজ আরেফিন লিখেছেন ‘ডাকসু’। পাওয়া যাচ্ছে গণপ্রকাশনে (স্টল নম্বর ৬৬৮)। আবদুল্লাহ মজুমদারের বই ‘শিকলবন্দী ক্ষমা’ পাওয়া যাচ্ছে মেলায়। মোহাম্মদ নাসিদ উদ্দিন ও মোহাম্মদ আমির উদ্দিন মিলে লিখেছেন ‘বজ্রবাণী’। পাওয়া যাচ্ছে ৫৬৬ নং স্টলে। আজহারুল কবির নিলয়ের বই ‘সোনার তরীর শ্রেষ্ঠ মাঝি প্রিয় বঙ্গবন্ধু’ পাওয়া যাচ্ছে বইমেলায়। আরিফুল ইসলামের রেখা ‘প্রদীপ্ত কুটির’ পাওয়া যাচ্ছে মেলায়। মুশফিক ইস সালেহীনের রেখা বই ‘ঋ’ পাওয়া যাচ্ছে এবারের বইমেলায়। কবি ও চিত্রকর শওকত শাওনের বই ‘তারপর কেমন আছো’ ও ‘একটা হুতুম হবো’ পাওয়া যাচ্ছে ভূমি প্রকাশে। নেওয়াজ নাবিদের ‘কহশিমিয়ান’ পাওয়া যাচ্ছে মেলায়। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবি শিক্ষার্র্থী খন্দকার হাবীব আহসান লিখেছেন ‘ইতিহাস স্মরণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’।

ইংরেজি বিভাগের কাজী সাইমুম জান্নাত প্রভার বই ‘এখানে কোন রূপকথা নেই’। প্রত্যাশা প্রকাশন থেকে বের হয়েছে আরমান হোসাইনের কাব্যগ্রন্থ ‘অন্তরালে’। বইটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের লিটল ম্যাগ চত্বরের চিরহরিৎ-এ পাওয়া যাচ্ছে। ঢাবি শিক্ষার্থী নুরুল ইসলাম নূর লিখেছেন ‘গল্পের শেষে তোমারই নাম’। ঢাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম লিখেছেন ‘শান্তির খোঁজে’। আতাউর রহমান শিহাব লিখেছেন ‘এপোথিওসিস’। বায়ান্ন প্রকাশনীতে বইটি পাওয়া যাচ্ছে। স্টল নং ৩৬৩। আইন বিভাগের শিক্ষার্থী জাবেদ রাসিন লিখেছেন কুরুকারা। এম. জে. বাবু লিখেছেন ‘দিমেন্তিয়া’। তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী রেজওয়ান শাওন লিখেছেন ‘সহস্র চাখ মেলে’। ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী জাহিদ আহসান লিখেছেন ‘পবিত্র অভিশাপ’।

গালি বয় রানার রূপকার তাবিব মাহমুদ লিখেছেন "কিছু বইয়ের নাম থাকেনা"।

দৈনিক সংবাদ