শতবর্ষে প্রত্যয় বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের বিচারের রায় কার্যকর করা : তথ্যমন্ত্রী


Dhaka
Published: 2020-08-09 15:34:40 BdST | Updated: 2020-09-27 09:04:51 BdST

মুজিব শতবর্ষে বঙ্গবন্ধুর সকল পলাতক খুনি পৃথিবীর যেখানে পালিয়ে আছে সেখান থেকে তাদের ফেতর এনে বিচারের রায় কার্যকর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেছেন, মুজিব শতবর্ষে আমাদের প্রত্যয় হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর যে সকল পলাতক খুনি পৃথিবীর যেখানে পালিয়ে আছে সেখান থেকে তাদের ফেতর এনে বিচারের রায় কার্যকর করা। একই সঙ্গে জিয়াউর রহমানসহ যারা এরসঙ্গে যুক্ত তাদের মুখোশ জনগণের সামনে উন্মোচন করা প্রয়োজন। এজন্য একটি কমিশন গঠন করে এই হত্যাকান্ডে যারা ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্তছিল সেই ইতিহাস জনগণের সামনে উন্মোচন করা।

রোববার (০৯ আগস্ট) সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী  ক্লিনিক ভবনের সামনে শোক দিবস উপলক্ষে 'আলোকচিত্র, ডিজিটাল ডিসপ্লে ও সংবাদপত্রে বঙ্গবন্ধু' সপ্তাহব্যাপী প্রদর্শনী উদ্বোধনকালে তিনি এই প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে অন্যায়ের প্রতিকার করতে হয়। সেজন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচার হয়েছে। বিচারের রায় কার্যকরও হয়েছে। এই মুজিব শতবর্ষে আমাদের প্রত্যয় হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর যে সকল পলাতক খুনি এখনও পৃথিবীর যেসকল জায়গায় পালিয়ে আছে। তাদের বাংলাদেশে ফেরত এনে বিচারের রায় কার্যকর করা। একই সঙ্গে শুধুমাত্র যারা সমুখে থেকে বঙ্গবন্ধুর হত্যা কান্ড সঙগঠিত করেছিল তারাই অপরাধি তা নয়। সত্য এবং ন্যায়ের স্বার্থে ষড়যন্ত্রকারিদের মুখোশ উন্মোচিত হওয়া প্রয়োজন। জিয়াউর রহমানসহ যারা এরসঙ্গে যুক্ত তাদের মুখোশ জনগণের সামনে উন্মোচন করা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে বাঙ্গালিদের ইতিহাস জানার স্বার্থে একটি কমিশন গঠন করে এই হত্যাকান্ডে যারা ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত ছিল তাদের মুখোশ উন্মোচন করা। তাহলে ইতিহাস সঠিকভাবে রচিত হবে। মুজিব শতবর্ষে এই কাজটি করা অত্যন্ত জরুরী বলে আমি মনে করি।

তিনি বলেন, আমি তথ্য অধিদপ্তরকে ধন্যবাদ জানাই এ ধরনের একটি আয়োজনের জন্য। প্রতিবছর তথ্য অধিদপ্তর এটি করে। এতে বঙ্গবন্ধুকে সংবাদপত্রে ও আলোকচিত্রের মাধ্যমে স্থাপন এটি অনেক হৃদয়গ্রাহী। একই সাথে এটি ইতিহাসকে সংরক্ষণ করেছে। এখন আমরা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অতিক্রম করছি। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর ৪৫ তম শাহাদতবার্ষিকী৷ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে রুপান্তর করার জন্য কাজ শুরু করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে যে বছর হত্যা করা হয় সে বছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিছিল ৭.৪ শতাংশ। যেটি আমরা ২০১৬-১৭অর্থবছরে বঙ্গবন্ধুর কন্যার নেতৃত্বে অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছি। চার দশক পড়ে সেটা সম্ভব হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে যে বছর হত্যা করা হয় সে বছর ১০ হাজার মেট্রিকটন বেশি খাদ্য উৎপাদন হয়েছিল।

বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরিকল্পনাকারীদের মরণোত্তর বিচার দাবি জানিয়ে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বলেন, 'বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করার যারা মূল পরিকল্পনাকারী, নীল নকশা প্রণয়নকারী, সেই খুনি মোশতাক ও জিয়াউর রহমান এদের মুখোশ বাঙালি জাতির সামনে উন্মোচিত করতে হবে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তথ্য সচিব কামরুন নাহার, সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবাহান চৈধুরীসহ তথ্যমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।