বলাৎকারের অভিযোগ: বাড়ি ছাড়তে বাধ্য ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্য্যালয়ের ভিসি


admin
Published: 2018-11-05 04:49:08 BdST | Updated: 2018-12-13 05:42:32 BdST

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ ওরফে আহসান সাইয়েদের বিরুদ্ধে শিশুকে বলাৎকারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ওই অভিযোগে এলাকাবাসী ওই ভিসিকে তার বাসভবনে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে ভিসি এলাকা ছেড়ে যাওয়ার শর্তে রক্ষা পান। এসময় তিনি শিশুকে বলাৎকারের বিষয়টিও স্বীকার করেন। গত শনিবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার ‘এ’ ব্লকের একটি বাসায় ভিসিকে অবরুদ্ধ করে রাখেন এলাকাবাসী। ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঢাকায় হলেও ভিসি সাপ্তাহিক ছুটির সুযোগে চট্টগ্রামের বাসায় থাকতেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ভিসির বিরুদ্ধে আগেও মহল্লার কিছু শিশু নিপীড়নের অভিযোগ তোলে। কিন্তু বিষয়টি স্পর্শকাতর বলে হাতেনাতে ধরার অপেক্ষায় ছিল অভিভাবকরা। গত শনিবার সন্ধ্যায় এক শিশুকে গলি থেকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে বলাৎকারের চেষ্টা করছিলেন ভিসি। এ সময় কয়েকজন গিয়ে ভিসিকে ঘেরাও করে ফেলে। এলাকাবাসী খবর পেয়ে বাসভবনই ঘেরাও করে ফেলে। পরে ভিসি শিশু বলাৎকারের কথা স্বীকার করেন এবং সপরিবারে এলাকা ছেড়ে দিতে রাজি হন। এরপর রাত ২টার দিকে লোকজন অবরোধ তুলে নিলে ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ বাসা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। পুলিশ তাদের ভ্যানে করে ভিসিকে নিয়ে যায়।

এদিকে ভিসি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, আমি এলাকাবাসীর চাপের মুখে বলাৎকারের কথা স্বীকার করেছি। আমি কখনো এ ধরনের অপকর্ম করিনি। মহল্লার লোকজন মিথ্যা অভিযোগ এনেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ ওরফে আহসান সাইয়েদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। ২০১৬ সালে দেশের প্রথম সরকারি ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর তিনি এর ভিসি নিযুক্ত হন। চার বছর ধরে তার পরিবার চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার ওই বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে আছে। তিনি ঢাকার কাজের ফাঁকে এখানেই নিয়মিত বসবাস করেন। তার গ্রামের বাড়ি সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ রামপুর।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।