ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগে অতিরিক্ত ফি আদায়


ঢাবি টাইমস
Published: 2018-11-09 10:50:52 BdST | Updated: 2018-12-13 06:12:28 BdST

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপর বিভাগীয় উন্নয়ন ফি এর নামে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম বহির্ভূত অতিরিক্ত ফি চাপিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য যে, ২০১৪ সালের ৬ই নভেম্বর বিভাগ টি ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান থেকে তড়িৎ ও ইনেক্ট্রনিক কৌশল (ইইই) বিভাগে রূপান্তরিত হয়। সেই থেকে বিভাগের অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল বাজেট থেকে বড় অংকের বরাদ্দ আসতে শুরু করে। এছাড়াও প্রতি বছর বেশ কিছু দাতা সংস্থা থেকে বিভাগে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ এসে থাকে। ইউজিসি এবং হায়ার এজুকেশন কোয়ালিটি এনহান্সমেন্ট প্রোজেক্ট এর অর্থায়নে গত তিন বছরে বিভাগে অত্যাধুনিক ফেব্রিকেশন, হাই ভোল্টেজ, পাওয়ায় এবং মাইক্রোওয়েভ কমিনিকেশন ল্যবরেটরী স্থাপিত হয়েছে। এছড়া ইমদাদ সিতারা ফাউন্ডেশন, হা-মীম গ্রুপ, টেকভায়লী সহ বিভিন্ন সংস্থা বিভাগের উন্নয়ন কাজে আর্থিক সহোযোগীতা করে থাকে।

এবছর বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত উন্নয়ন ফি আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিভাগের একাডেমীক কমিটি। বিশেষ করে বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোস্তাফা আল মামুনের একক সিদ্ধান্তের কারণে একাডেমীক কমিটি এ সিদ্ধান্তে আসতে বাধ্য হয়েছে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, বিভাগের অনেক শিক্ষক এই সিদ্ধান্তের সাথে একমত ছিলেন না। কিন্তু বিভাগীয় চেয়ারম্যান এর স্বেচ্ছাচার মূলক সিদ্ধান্ত মেনে নিতে বাধ্য করা হচ্ছে বিভাগের শিক্ষার্থীদের কে। নিয়ম করা হয়েছে, সেমিস্টার শেষে নম্বরপত্র উত্তলোনের সময় এই ফি দিতে হবে বাধ্যতামূলক ভাবে, অন্যথায় নম্বরপত্র প্রদান করা হবে না । অর্থাৎ শিক্ষার্থীরা একপ্রকার বাধ্য হবে এই ফি দিতে।

এ সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান বরাবর একাধিক আবেদন করা হলেও সেগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হয় নি। অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, শিক্ষার্থীদের অনেক যৌক্তিক দাবিও চেয়ারম্যানের একক সিদ্ধান্তের কারণে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ছে। এর ফলে ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

ইইই হিসেবে যাত্রা শুরুর পর থেকে বিভাগে ইয়ার ভিত্তিক একাডেমীক কার্যক্রমের বদলে সেমিস্টার ভিত্তিক কার্যক্রম চালু হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সেমিস্টার ভিত্তিক শিক্ষাক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী যে সকল সুবিধা পাওয়ার কথা তা তারা পাচ্ছেন না। এ ব্যাপারেও শিক্ষার্থীদের কোনো আবেদন ই কাজে আসছে না।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।