কুবিতে প্রক্সি দিতে গিয়ে ঢাবিতে চান্স পাওয়া ছাত্র আটক


ঢাবি টাইমস
Published: 2018-11-10 14:58:22 BdST | Updated: 2018-12-13 06:30:40 BdST

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষার্বষের ভর্তি পরীক্ষায় চান্স পাওয়া শিক্ষার্থী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্সি দিতে গিয়ে আটক হয়েছেন। শুক্রবার (৯ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কলা ও সমাজ বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘বি’  ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি জালিয়াতির অভিযোগে ওই শির্ক্ষাথীসহ দুই পরীর্ক্ষাথীকে আটক করা হয়েছে।

অভিযুক্ত দুই পরীর্ক্ষাথী হলেন মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন (র্ভতি পরীক্ষার রোল ২৫১০৮৬) ও মোহাম্মদ মিজানুর রহমান (ভর্তি পরীক্ষার রোল ২৫৫৮৮৮)। দুজনই চট্টগ্রাম কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে সদ্য উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করা শির্ক্ষাথী।

জানা যায়,  শুক্রবার (৯ নভেম্বর)‘বি’  ইউনিটের পরীক্ষা চলাকালে ক্যাম্পাস অভ্যন্তরে বিজ্ঞান অনুষদ কেন্দ্রের ৫০৩ নম্বর কক্ষ থেকে প্রক্সির মাধ্যমে জালিয়াতির অভিযোগে মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিনকে আটক করা হয়।

ওই অনুষদের ৫০১, ৫০২ ও ৫০৩ নম্বর কক্ষের প্রধান সমন্বয়ক সূত্রে জানা যায়,

 ‘পরীক্ষা শেষ হলে উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) মেলাতে গিয়ে ৫০৩ নম্বর রুমে অন্য কেন্দ্রের অর্ন্তগত একটি রোল নম্বর দেখতে পাই। বিষয়টি নিয়ে আমাদের সন্দেহ জাগলে আমরা তার প্রবেশপত্রের সঙ্গে উত্তরপত্র যাচাই করে সেখানে গড়মিল পেয়ে প্রশাসনকে অবহিত করি।’

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন ওই দুই পরীর্ক্ষাথীকে আটক করে। অভিযুক্ত পরীর্ক্ষাথী  মধ্যে মোহাম্মদ মিজান উদ্দিন জানায়,  তার দাখিলের রোল নং ২৩৫১০১,  উচ্চ মাধ্যমিকের রোল নং ৩০৮৯৪৭। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বি’ ইউনিটে ২০১৮-১৯ শিক্ষার্বষের ভর্তি পরীক্ষায় ৯৯১ তম স্থান অধিকার করে,  যা অনুযায়ী সে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করে।  তবুও তার বন্ধু মো. মিজানুর

রহমানের হয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে আসে।  অভিযুক্ত ঢাবিতে চান্স পাওয়া শিক্ষার্থী মো. মিনহাজ উদ্দিনের উত্তরপত্র যাচাই করে দেখা যায়, সে প্রথমে তার রোল নম্বর ২৫১০৮৬ লিখলেও পরে তা মুছে মো. মিজানুর রহমানের রোল নম্বর ২৫৫৮৮৮ লিপিবদ্ধ করে

উত্তরপত্র পূরণ করে। কিন্তু এটি করতে গিয়ে কলমের কালি অস্পষ্টভাবে উত্তরপত্রে বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়।

'বি' ইউনিটের আহ্বায়ক ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আবেদনকারী  ২৪ হাজার ২৩২ জনের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৪ হাজার ৮৪৭ জন যা মোট ভর্তি আবেদন কারীর ৬১ শতাংশ। একটি প্রক্সির ঘটনা ছাড়া আর কোনও কেন্দ্রে কোনও ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দীন বলেন, ‘আমরা তাদের দুজনকে আটক করে রেখেছি।

বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা ব্যবস্থা নিবো।’

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।