ভর্তিচ্ছুদের প্রয়োজনীয় সকল সুবিধা দেবে ঢাবি ছাত্রলীগ


ঢাবি টাইমস
Published: 2019-09-12 12:58:43 BdST | Updated: 2019-09-23 06:39:07 BdST

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ সেশনে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিবে ছাত্রলীগ।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সঞ্জিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভর্তিচ্ছুদের জন্য শিক্ষা উপকরণ এবং পরীক্ষার আগের রাতে হলে থাকার ব্যবস্থা করা হবে।

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা দেয়া হবে বলে  জানান ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন।

পরীক্ষার দিন শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়ার জন্য থাকবে জয় বাংলা বাইক সার্ভিস।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জন্য  পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে রাখা হবে চেয়ারের ব্যবস্থা এবং সুপেয় পানি থাকছে সবার জন্য ।

ঢাবি ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি নেতৃত্বে আসার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হাজির হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে কর্তৃপক্ষ। নতুন পদ্ধতিতে, দেড় ঘণ্টায় নৈর্ব্যক্তিক অংশের ৭৫ নম্বর এবং লিখিত ৪৫ নম্বরের উত্তর করতে হবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের। অনলাইনের মাধ্যমে প্রার্থীদের ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ৫ আগস্ট শুরু হবে এবং শেষ হবে ২৭ আগস্ট।

একাধিক সূত্র জানায়, এবার প্রতিটি ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষার সময় হবে দেড় ঘণ্টা। এর মধ্যে নৈর্ব্যক্তিক অংশে ৬০টি প্রশ্নের জন্য ৫০ মিনিট এবং লিখিত অংশের ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৪০ মিনিট সময় পাবে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। নৈর্ব্যক্তিক অংশে প্রতিটি প্রশ্নের মান হবে ১ দশমিক ২৫ এবং লিখিত অংশে প্রতিটি প্রশ্নের মান হবে ১ দশমিক ৫০। পরীক্ষায় পাস করতে হলে ভর্তিচ্ছুদের নৈর্ব্যক্তিক অংশে ৩০ নম্বর এবং লিখিত অংশে ১২ নম্বর পেতে হবে।

সূত্র আরও জানায়, এমসিকিউ পরীক্ষায় ৩০ নম্বর পেলে লিখিত পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা হবে। কেউ যদি এমসিকিউ অংশে পাস নম্বরের বেশি পাওয়ার পরও লিখিত পরীক্ষায় ১২ নম্বরের কম পায় তাহলে সে ভর্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। লিখিত অংশের জন্য বাংলা ও ইংরেজির বোর্ড বই পড়তে হবে। এ অংশে সাধারণ জ্ঞান থেকে কোনো প্রশ্ন আসবে না। মোট ১২০ নম্বরের পরীক্ষার সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএ (আগের মতোই ৮০ নম্বর) যোগ করে সর্বমোট ২০০ নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

সূত্র জানায়, প্রতিবন্ধী কোটার ক্ষেত্রে দৃষ্টি, বাক-শ্রবণ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫০ টাকা।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ক-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, খ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২১ সেপ্টেম্বর শনিবার, গ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, ঘ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার, চ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (সাধারণ জ্ঞান) ১৪ সেপ্টেম্বর শনিবার এবং চ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা (অংকন) ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।