শাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে মামলা


Sust
Published: 2019-09-16 22:37:21 BdST | Updated: 2019-10-22 09:39:18 BdST

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা হয়েছে। বেতন থেকে ২৭১ টাকা কেটে নেওয়ার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাই ও পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম এ মামলা দায়ের করেন। একই মামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, হিসাব পরিচালক ও প্রগতি লাইফ ইনসুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে আসামি করা হয়েছে। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী এএইচএম এরশাদুল হক।

এরশাদুল হক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য বিমার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ও স্বাস্থ্য বিমাতে রাজি না থাকা সত্ত্বেও বেতন থেকে টাকা কেটে নেওয়ায় সিলেট সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে পৃথক মামলা করা হয়েছে। মামলা নম্বর যথাক্রমে—১৬৫/১৯ ও ১৬৬/১৯।

এই আইনজীবী আরও জানান, গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রগতি লাইফ ইনসুরেন্সের মধ্যে দুই বছরের জন্য স্বাস্থ্য বিমা চুক্তি করা হয়। তবে কে কতটুকু উপকার পাবেন, তা স্বাস্থ্য বিমাতে পারিষ্কার করা নেই। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক এই বিমার সঙ্গে একমত হননি। এছাড়া বিমার জন্য আবেদন ফরম পূরণ করতে বলা হলেও তারা পূরণ করেননি। তারপরও তাদের বেতন থেকে ২৭১ টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাই জানান, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যে স্বাস্থ্য বিমার ব্যবস্থা করা হয়েছে তা আমরা করতে আগ্রহী না। এ জন্য আমি প্রশাসন দফতরে একটি চিঠিও দিয়েছিলাম। তারপরও বিমার জন্য আমার বেতন থেকে টাকা কাটা হচ্ছে। এজন্য আমি আইনের দ্বারস্থ হয়েছি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন বলেন, ‘মামলার বিষয়ে কোনও তথ্য আমাদের জানানো হয়নি। তবে বিষয়টি আমরা দেখবো।’

জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে দেশের আরও অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বছরের জন্য প্রগতি লাইফ ইনসুরেন্সের সঙ্গে চুক্তি আছে। আমরা চাইলে দুই বছর পর একই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অথবা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারবো। তবে তারা যেহেতু কোর্টে মামলা করেছে, এর জবার আমরা কোর্টে গিয়েই দেবো।’