সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কী ভাবছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য?


BBC bangla
Published: 2020-02-24 01:15:44 BdST | Updated: 2020-03-31 18:36:26 BdST

দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে না বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্বাবিদ্যালয় বুয়েট। কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় কোন গুরুত্বপূর্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এটিই আসা প্রথম সিদ্ধান্ত।

গতমাসের শেষদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন জানায় যে এই শিক্ষাবর্ষ থেকেই বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে একসাথে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। তবে এই পরীক্ষা কে আয়োজন করবে, কিভাবে অনুষ্ঠিত হবে এসব প্রক্রিয়া ও পদ্ধতির বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

১৯৭৩'এর অধ্যাদেশে যেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্বায়ত্বশাসন দেয়া হয়েছে, সেই চারটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বুয়েট গত সপ্তাহে জানিয়েছিল যে তারা নিজেদের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত জানাবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী চলার ব্যাপারে মত পাওয়া গেছে বিভিন্ন সভায়। এই অধ্যাদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে স্বায়ত্তশাসনের অধিকার দেয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, "বিষয়টি নিয়ে যখন বড় আকারের বিতর্ক তৈরি হল তখন আমরাও গুরুত্ব দিয়ে ভেবেছি। আমরা গুরুত্বপূর্ন ফোরামে বিষয়টি আলোচনা করেছি যেখানে আমাদের সাবেক উপাচার্য, জাতীয় অধ্যাপকবৃন্দ ও প্রফেসর এমেরিটাস মহোদয় ছিলেন।"

"তারা পরামর্শ দিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ সমন্বিত রাখতে হবে। ডিন কমিটির সভায় এই সুপারিশ গ্রহণ করার ব্যাপারে তারাও একমত হয়েছেন।"

তিনি জানিয়েছেন যে আলাপ তারা করেছেন সেখানে নিজস্ব পরীক্ষা পদ্ধতি বজায় রাখার সুপারিশ এসেছে।

তিনি বলছেন, "সুপারিশটা হল এরকম, আমাদের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, গ্রহণযোগ্য, বিশ্বস্ত, খুবই পরিশীলিত যে ব্যবস্থাটি আছে - সেটি গ্রহণ করাই সমীচীন।"

অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে কী মনে করেন?

এর জবাবে তিনি বলেছেন, "আমি ৭৩ এর অধ্যাদেশের আদেশ বলে ভাইস চ্যান্সেলর। যার ফলশ্রুতিতে সেটি আপহোল্ড করা এবং অধ্যাদেশের নীতি-দর্শনের প্রভাব সর্বত্র যাতে অনুসৃত হয়, সেটি করার শক্ত কমিটমেন্টতো আমার থাকবেই।"

তবে তিনি বলছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা অ্যাকডেমিক কাউন্সিলের। যাদের সভা রয়েছে ২৪ ফেব্রুয়ারি। যেদিন তাদের সিদ্ধান্ত জানা যেতে পারে।