শিক্ষার্থীদের দেয়া ডাকসুর অফিসিয়াল মেয়াদ শেষ


Dhaka
Published: 2020-03-23 12:26:16 BdST | Updated: 2020-05-29 02:38:09 BdST

দীর্ঘ ২৮ বছর পর ডাকসু নির্বাচন হয় গেলো বছর। আওয়ামী লীগ বিএনপিসহ বড় দলগুলোর ছাত্র সংগঠন অংশ নিলেও ভিপি নির্বাচিত হন কোটা আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নূর। তবে জিএসসহ বাকী প্রায় সব পদেই জয় পায় ছাত্রলীগ। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২৩ মার্চ শেষ হচ্ছে নুর-রাব্বানী পরিষদের মেয়াদ। এক বছরে কতটা বাস্তবায়ন হলো সাধারন শিক্ষার্থীদের কাছে দেয়া প্রতিশ্রুতি?

স্বাধীনতা পূর্ব ও পরবর্তী সবসময়ই ডাকসুর ভুমিকা ছিলো উজ্জল। ছাত্র কল্যানের পাশাপাশি দেশের প্রয়োজনে ডাকসু সোচ্চার ছিলো সবসময়।

তবে এবারের ডাকসুতে নির্বাচনের পর কখনোই ছাত্র কল্যাণে সম্মিলিত অবস্থানে দেখা যায়নি ভিপি-জিএসদের। সরব ছিলেন পরষ্পর বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানে নয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে রাষ্ট্রীয় ইস্যুতে। শিক্ষার্থীদের আশা পূরোণ না হওয়ার প্রধান কারনকি তবে সমন্বয়হীনতা?

মেয়াদের পুরো সময়েই পরষ্পর বিরোধী অবস্থানে ছিলেন ভিপি -জিএস। সমন্বয়হীনতার অভিযোগ ছিলো তাদের বিরুদ্ধে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, ডাকসুর কর্মকান্ডে খুব একটা সন্তুষ্ট নন তারা। ব্যার্থতার দায় কিছুটা স্বীকার করলেও সফলতা আছে বলে দাবি বর্তমান পরিষদের। সাবেক নেতারা বলছেন, সময় ও রাজনীতির বেড়াজালে ডাকসুর ঐতিহ্য হারিয়েছে অনেকটাই।

এজিএস সাদ্দাম হোসেন বলেন, কিছু পূরণ হয়েছে। ভিপির মনোযোগ থাকলে আরো ভালো হতে। তাছাড়া আমি থেকে আমরা হতে পারিনি।

ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, রাষ্ট্রীয় ইস্যুতে ডাকসু বরাবরই ছিলো। সহযোগিতা পাইনি। পাশ কাটিয়ে বাজেট করা হয়েছে।

ডাকসুর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রধান নির্বাহী, ভিপি। তাকে পাশ কাটিয়ে বাজেট পাস করাকে ভিত্তিহীন বলছেন কোষাধক্ষ্য। বরং তার দৃষ্টিতে মোটামুটি সফল ছিলো এবারের পরিষদ।

একসময়কার ডাকসু সাহিত্য সম্পাদক সাংবাদিক জাফর ওয়াজেদ বলেন, সময় ও রাজনীতির চাপে ঐতিহ্য হারিয়েছে ডাকসু। এর মুল্যবোধ উপলব্দি করতে ব্যার্থ হয়েছেন বর্তমান নেতৃত্ব।

আবারো দ্বার প্রান্তে ডাকসু নির্বাচন। যদিও এনিয়ে এখনো কোন মন্তব্য করতে নারাজ উপাচার্য। তবে কি আবারো ঝুলে যাচ্ছে ডাকসু নির্বাচন?