বিশ্ববিদ্যালয়ের অলাইন ক্লাস সম্পর্কিত গবেষণার বিষয়ে ঢাবির ৩ শিক্ষকের ব্যাখ্যা


ঢাবি টাইমস
Published: 2020-06-06 17:35:29 BdST | Updated: 2020-07-11 03:19:12 BdST

সম্প্রতি করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সব কিছু স্থবির হয়ে গিয়েছে বন্ধ রয়েছে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রমকে বেগবান করতে দাবী উঠেছে অনলাইন ক্লাসের। বাংলাদেশের পারিপার্শ্বিক অবস্থায় নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারছে না। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের বর্তমান অবস্থা নিরূপনের উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক একটি অনলাইন সমীক্ষা পরিচালনা করেন। তবে গবেষণাটি প্রকাশের পর কিছু তথ্য বিশেষিকরণের কারণে জনমনে কিছু বিভ্রান্তির তৈরী হয়।

আর এবিষয়ে শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সমীক্ষার বিষয়ে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

এতে ঢাবির তিন সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: আহসান হাবীব, ড. ম. মনিনুর রশিদ ও ড. মো: সাইফুল মালেক বলেন, কোভিড-১৯ প্রেক্ষাপটে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আর্থিক, মনস্তাত্ত্বিক ও কারিগরি সম্ভাব্য প্রস্তুতি যাচাইয়ের জন্য আমরা একটি অনলাইন সমীক্ষা পরিচালনা করি, যার সারকথা গত ২ জুন ২০২০ দৈনিক সমকাল পত্রিকার উপ-সম্পাদকীয়তে প্রকাশিত হয়।

সমীক্ষার তথ্য বিশ্লেষণে অংশগ্রহণকারী (৬০৭ জন) শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসের সম্ভাব্য প্রস্তুতি যাচাই করা হয় এবং প্রতিবন্ধকতাগুলোকে চিহ্নিত করা হয়। সমীক্ষার ফলাফলকে সাধারণীকরণ না করার জন্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, “পদ্ধতিগত কারণে গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়-এর সামগ্রীক অবস্থা তুলে না ধরলেও অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেছে।”

এতে আরও বলা হয় যে, “সমীক্ষাটি যেহেতু অনলাইনে সম্পন্ন হয়েছে, কোন না কোন অনলাইন সেবার আ্ওতায় থাকা শিক্ষার্থীরাই এতে অংশগ্রহণ করেছেন”। কিন্তু গত ৩-৪ জুন বিভিন্ন প্রত্রিকার প্রতিবেদনে, বিশেষ করে শিরোনামে সমীক্ষার ফলাফল ঢালাওভাবে সাধারণীকরণ করে উপস্থাপিত হয়, যা কোনভাবেই সমীক্ষাটির উদ্দেশ্যে ও ফলাফলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এর ফলে সৃষ্ট বিভ্রান্তির জন্য আমরা ব্যথিত এবং পাঠককে দৈনিক সমকালে প্রকাশিত মূল প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য অনুরোধ করছি।