সুফিয়া কামাল হল

ফেসবুকে অপতথ্য প্রচার করায় ৩ ছাত্রীকে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে : উপাচার্য


টাইমস প্রতিবেদক
Published: 2018-04-20 08:20:02 BdST | Updated: 2018-09-26 18:18:40 BdST

ফেসবুকের মাধ্যমে অপতথ্য প্রচার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করায় সুফিয়া কামাল হলের তিন ছাত্রীকে তাদের অভিভাবকের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

শুক্রবার (২০ এপ্রিল) সকালে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

উপাচার্য বলেন, ‘আন্দোলনকারী আর উসকানিদাতা এক নয়। আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঐতিহ্যপূর্ণ। এটা খুব স্বাভাবিক। যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করতে পারে যে কেউ। তবে উসকানি দেওয়া আর আন্দোলন এক নয়। আমরা আন্দোলনকে সমর্থন করি, উসকানিকে নয়।’ কোটা সংস্কার আন্দোলন সাধারণ শিক্ষার্থীদের হলেও এতে অপশক্তি ঢুকে গিয়েছিল বলে মনে করেন তিনি। সেই অপশক্তিই নাশকতার সঙ্গে জড়িত বলে জানান উপাচার্য।

আখতারুজ্জামান জানান, কোনো সাধারণ শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হয়রানি করেনি। হাজার হাজার ছাত্র এই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিল। এর মধ্যে মাত্র ২৫/২৬ জনকে চিহ্নিত করেছে তদন্ত কমিটি। তিনি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত না হয়ে কোনো সংবাদ পরিবেশন করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভুল সংবাদ বিভ্রান্তি তৈরি করে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সুফিয়া কামাল হলের অন্তত ৫০ ছাত্রীকে হল ত্যাগে বাধ্য করে বলে হল প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে সাংবাদিকরা ও বিভিন্ন হলের আবাসিক ছাত্ররা হলটির সামনে গিয়ে অবস্থান নেন।

পরে বৃহস্পতিবার রাতেই উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান যুগান্তরের কাছে সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ নাকচ করেন।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত হল কর্তৃপক্ষ ছাত্রীদের একের পর এক বের করে দেয়। গভীর রাতে অভিভাবকদের সুফিয়া কামাল হল থেকে তাদের সন্তানকে এসে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

এ সময় হল প্রশাসনের নিষেধের কারণে ছাত্রীদের অভিভাবকরা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

প্রসঙ্গত সুফিয়া কামাল হল কর্তৃপক্ষ ছাত্রী লাঞ্ছনাসহ ১১ এপ্রিল সংঘটিত ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে।

সেই কমিটি ছাত্রী লাঞ্ছনার অভিযোগ থেকে ছাত্রলীগ নেত্রী এশাকে অব্যাহতি দিয়ে উল্টো ২৬ ছাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণের সুপারিশ করে।

তবে এশা ছাত্রীদের ডেকে নিয়ে বিভিন্ন হুমকি-ধমকি ও হয়রানি করলেও তাতে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন।

টিআর/ ২০ এপ্রিল ২০১৮

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।