ঢাবির আশেপাশে শিক্ষার্থীরা যেখানে সেহরি খেতে পারেন


টাইমস অনলাইনঃ
Published: 2018-05-18 00:57:12 BdST | Updated: 2018-08-16 18:25:15 BdST

সেহরি খাওয়া ফরজ বা ওয়াজিব নয়। সেহরি খাওয়া সুন্নাত। সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। সেহরির গুরুত্ব রয়েছে, ফজিলতও রয়েছে। সেহরি কিন্তু বরকতময় এবং সেহরির ফজিলত হচ্ছে এটি যে, সেহরি সিয়াম পালনের জন্য মূলত সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করে। তাই সেহরি খাওয়াটা হচ্ছে সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। কিন্তু কেউ যদি কোনো কারণে ভুলে সেহরি খেতে না পারেন তাহলে সিয়াম পালন করতে তাঁর কোনো ধরনের অসুবিধা বা আপত্তি নেই।

ভুল ছাড়া কেউ যদি ইচ্ছা করে সেহরি না খান, তাহলে তাঁর সিয়াম হয়ে যাবে। কিন্তু তিনি সেহরির ফজিলত থেকে বঞ্চিত হবেন। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে যদি সেহরি না খান তাহলে তিনি হয়তো গুনাহগার হতে পারেন, যেহেতু নবী (সা.)-এর হাদিস হলো, সেহরি খাওয়া। নবী (সা.)-এর সুন্নাহকে ইচ্ছাকৃতভাবে পরিহার করা এটি গ্রহণযোগ্য কাজ নয়।

আসুন জেনে নেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের কোন কোন হোটেলে সল্পমূল্যে ভালো মানের সেহরি খাওয়া যায়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলেই সেহরি বিক্রি হয়। তবে এসব খাবার খেতে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের কষ্ট হয়। চানখারপোল এলাকায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের মোড়ে ভর্তা বাড়ি হোটেলে মানসম্মত সেহরি বিক্রি হয়। তার পাশেই রয়েছে পেনাং হোটেল। 

চানখারপোল মোড়ে আফতাব হোটেল ও ভোজন বিলাসে বরাবরের মতই থাকছে সেহরির ব্যবস্থা। আরেকটু আয়েশ করে খেতে চাইলে বন্ধুদের নিয়ে চলে যেতে পারেন ২৯/১, নর্থ সাউথ রোড বংশালে হোটেল আল রাজ্জাকে। 

মামা হোটেল 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় মামা হোটেল। এখানে একেবারেই কম খরচে সেহরি পাওয়া যায়। তবে এখানকার খাবার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। 

এলিফ্যান্ট রোডের স্টার কাবাবেও খেতে পারেন সেহরি। বন্ধুদের নিয়ে এখানে মনের তৃপ্তি মিটিয়ে ন্যায্য মূল্যে খাবার পাবেন। 

তবে এই গলিতে বাটা সিগনালের মোড়েই কয়েকটি ছোট ছোট হোটেল রয়েছে। হাতে অল্প টাকা থাকলে আর হলে খাবার সংকট হলে এখানে খেতে পারেন।  অন্যথায় হলে খাওয়াটাই ভালো। 

বিদিবিএস 

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।