ক্যান্টিনে চাঁদাবাজির অভিযোগ, অন্য নেতাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ হল ভিপির


ঢাবি টাইমস
Published: 2019-07-13 23:47:56 BdST | Updated: 2019-08-26 04:31:30 BdST

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসীম উদ্দিন হলের ক্যান্টিন মালিকের কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হল শাখা ছাত্র সংসদের ভিপি-জিএস ও এজিএসের বিরুদ্ধে।

রোববার হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. রহমত উল্লার কক্ষে এই অভিযোগ করেন ক্যান্টিনের মালিক। যদিও অভিযোগ করেছেন ভিপি ফরহাদ আলী। তিনি বলেছেন, ছাত্রলীগেরই একটি গ্রুপ ভয় দেখিয়ে ক্যান্টিন মালিককে প্রাধক্ষ্যের কাছে নিয়ে গেছে।

এদিকে প্রাধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ দেওয়ার একটি ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে ক্যান্টিনের মালিক অভিযোগ করে বলেছেন, হলের ভিপি ফরহাদ আলী, জিএস এনাম এবং এজিএস সাইফুল ভয়-ভীতি দেখিয়ে তার কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা চাদা নিয়েছেন। যদিও তাদের দাবি ছিল দুই লাখ।

ক্যান্টিন মালিক আরো বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের পর ফরহাদ, এনাম, সাইফুল বিভিন্ন সময় ক্যান্টিনে এসে খাবার ফেলে দিত। এক পর্যায়ে তারা আমার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পেয়ে তারা প্রতিনিয়ত আমাকে হুমকি দিত এবং ক্যান্টিনে এসে খাবার ফেলে দিত। পরে আমি বাধ্য হয়ে ধার-দেনা করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা তাদেরকে দেই।

অভিযোগের বিষয়ে জসীমউদদীন হলের ভিপি ফরহাদ আলী বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভূয়া। আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। সামনে হল শাখা ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট সেক্রেটারি নির্বাচন। তাই আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারণা ছড়ানো হচ্ছে; যাতে হলের ভিপি, জিএস, এজিএস- কেউ নেতৃত্বে না আসতে পারে ।

কারা অপপ্রচার ছড়াচ্ছে এ বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, হল সংসদের অন্যান্য নেতারা বিষয়টি সবার মাঝে ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে পান্না, লুৎফর, নাইম, আবদুল্লাহ সোহাগ; এরা শত্রুতা করে আমাদের সাথে এমন করেছে। তারা ক্যান্টিন মালিককে ভয় দেখিয়ে স্যারের কাছে নিয়ে গেছে। এর আগেও আমাদের নামে নানা অপপ্রচার ছড়ানো হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে , প্রথমে হল ভিপি ও জিএস মিলে ক্যান্টিন মালিকের কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বিনিময় ক্যান্টিনের বাইরে অন্যান্য দোকানে খাবার বন্ধ করা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। সে অনুযায়ী কাজ করতে গেলে এজিএস ভাগ না পাওয়ায় আবার হলের অন্যান্য দোকানে খাবার বিক্রি নির্দেশ দেন। পরে এজিএসের সাথে সমঝোতা করে তারা তিনজনে টাকার ভাগাভাগি করে নিয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে হলের প্রাধ্যক্ষ রহমত উল্লাকে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।