পাবনায় ছিনতাইয়ের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার


Pabna
Published: 2020-05-15 05:01:11 BdST | Updated: 2020-06-04 12:47:56 BdST

পাবনার আতাইকুলায় দিনে দুপুরে এক ব্যবসায়ীর পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ও সাত লাখ টাকার চেক ছিনতাইয়ের ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন মৃর্ধাকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদ।

বুধবার রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তারা এই সিদ্ধান্ত জানান।

আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নাসিরুল আলম জানান, গত রোববার দুপুরে থানার সাঁথিয়া উপজেলার বৃহস্পতিপুর বাজারের ভূষি ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলামের ছেলে মুসা এক কর্মচারীকে সঙ্গে নিয়ে আতাইকুলা বাজার শাখা অগ্রণী ব্যাংকে টাকা জমা রাখতে আসেন।

পথে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ছিনতাইকারীরা বাজার সংলগ্ন ব্রিজের পাশ থেকে ওই ব্যবসায়ীকে মারপিট করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। এসময় ব্যবসায়ী মুসা চিৎকার করলে পাশে থাকা লোকজন ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করে। এতে টাকার ব্যাগ ফেলে রেখে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় মুসা আতাইকুলা থানায় মৌখিক অভিযোগ করে। সঙ্গে সঙ্গে অভিযান চালিয়ে থানার বৃহস্পতিপুর এলাকা থেকে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন মৃর্ধা, তার ছোট ভাই রানা মৃর্ধা ও মামা শিপনকে আটক করে পুলিশ।

এদিকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত মুসাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

ভুলবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু ইউনুস জানান, ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে রুহুল আমিন এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ছাত্রলীগের পদে থেকে কেউ অপকর্ম করলে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক শাস্তি তাকে পেতেই হবে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, দুই একজনের জন্যে দলের সুনাম নষ্ট হোক তা কখনোই আমাদের কাম্য নয়।

আতাইকুলা থানার ওসি নাসিরুল আলম জানান, ছিনতাইয়ের অভিযোগে থানায় মামলা হলে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কোর্টে পাঠানো হয়। রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক অভিযোগও রয়েছে বলে জানান তিনি।