রাত সাড়ে ১২টায় ডাকসুর জিএস পদ ছাড়লেন রাব্বানী


ঢাবি টাইমস
Published: 2020-06-23 01:10:35 BdST | Updated: 2020-08-10 13:48:39 BdST

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ সোমবার মধ্যরাতে নিজের পদ ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দিলেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) গোলাম রাব্বানী।

সোমবার দিবাগত মধ্য রাতে ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড আইডিতে এক স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগের সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক এই ঘোষণা দেন।

এর আগে দিনে ছাত্রলীগের আলোচিত এই নেতা ফেসবুকে লিখেন: ‘ডাকসুর বিষয়ে আমার বক্তব্য একদম স্পষ্ট। নির্ধারিত মেয়াদের অতিরিক্ত এক মিনিটও পদে থাকতে চাই না। আজ রাত ১২.০০ ঘটিকায় পদ ছেড়ে দেব।’

গোলাম রব্বানী লিখেন, ‘বল তখন থাকবে ডাকসুর সম্মানিত সভাপতি, মাননীয় উপাচার্য মহোদয় এর কোর্টে... আমাদের দাবি থাকবে, করোনা দুর্যোগকালীন উদ্ভুত পরিস্থিতিতে যেহেতু আমাদের ৩৬৫ দিনের বৈধ মেয়াদের আগেই অর্থাৎ ১৮ মার্চ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম বন্ধ। তাই আমাদের অসমাপ্ত কাজ, বিশেষ করে, মাস্টার প্লান বাস্তবায়নে সহায়তা এবং ডাকসুর শিক্ষার্থী সহায়তা ফান্ডে আমার ব্যক্তিগত কন্টিনজেন্সি ফান্ডের অর্থসহ ডাকসুর অব্যবহৃত বাজেটের টাকা হস্তান্তরের মাধ্যমে অধিকসংখ্যক শিক্ষার্থীকে মানবিক সহায়তা প্রদান করতে চাই।’

জিএস বলেন, ‘আর অবশ্যই চাই, ডাকসু নির্বাচনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ামাত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে পরবর্তী নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে হবে। ২৮ বছরের অচলায়তন ভেঙে সচল হওয়া ডাকসুকে আর অচল দেখতে চাই না।’

গোলাম রব্বানী লিখেছেন, ‘করোনা দুর্যোগের জন্য যে সাড়ে তিন মাস আমরা কাজ করতে পারিনি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সে সময়টুকু আমাদের প্রাপ্য, আর সেই সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তী নির্বাচনও আয়োজন করে ফেলতে পারবে। তাহলে ডাকসুর গঠনতন্ত্র (৬ এর গ ধারা) মেনেই আমরা নতুন নেতৃত্বের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে পারবো।’

‘এটুকু শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আমাদের যৌক্তিক দাবি। আর সম্মানিত উপাচার্য মহোদয় ডাকসুর কমিটি ভেঙে দিয়েও যদি উক্ত দাবি মেনে নেন, আমার কোনো আপত্তি নেই।’

প্রসঙ্গত, প্রায় ২৮ বছর পর গত বছরের ১১ মার্চ ডাকসু নির্বাচন হয়। এতে ২৫টি পদের ২৩টিই ছাত্রলীগের দখলে যায়। শুধু ভিপি ও সমাজসেবা সম্পাদক পদে জয়ী হন কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নূর ও আখতার হোসেন।