অবিরাম ছুটে চলা অদম্য গোলাম রাব্বানীর


Dhaka | Published: 2020-12-21 22:00:17 BdST | Updated: 2021-03-05 00:37:53 BdST

সেই কলেজ জীবন থেকে শুরু। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে মানবিক কাজকর্মের সংখ্যা বেড়েছে। পরবর্তীতে দায়িত্বের সাথে সাথে মানুষের পাশে দাঁড়ানো যেন তার নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমাজের নারায়ণ অসংখ্য তিনি একথা বলেন সাহসী মনে। একের পর এক সমস্যার সমাধান করে দিয়েছেন নানান মানুষের। নিজ থেকে সমাধান করেছেন না পারলে অন্যদের মাধ্যমে তা সমাধান করে দিয়েছেন । তার কাছে এসে কেউ ফেরে না খালি হাতে। আর এ কারণেই এখনো পর্যন্ত রাব্বানীর নাম সকল নেতাকর্মীদের মুখে। সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে তার অনুসারীরা।

গণমাধ্যমে চোখ রাখলেই যখন নানা রকম অনিয়মের ঘটনা দেখা যায়; ঠিক তখন এসবের বিপরীতে মাটি ও মানুষের জন্য অবিরাম ছুটে চলা এক তরুণ স্বপ্নবাজের নাম গোলাম রব্বানি। তার সব ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এখন গোটা দেশে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করছেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিহাসেও গোলাম রাব্বানির রয়েছে এক অনন্য অধ্যায়।

সম্প্রতি টিম পজেটিব বাংলাদেশ নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন করে পুরো বাংলাদেশে পজিটিভ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এক আলোডন সৃষ্টি করেছেন তিনি। বলা বাহুল্য,দেশের যেকোনো স্থান থেকে কোন নারি, শিশু নির্যাতন কিংবা ধর্ষণের শিকার হলে হট লাইন নাম্বারে ফোন করে, ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে অথবা হোয়াটস এপ, ভাইবার, ইমো প্রভৃতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা জানালে সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণের অনন্য উদ্যোগটি সত্যি প্রশংসনীয়।

.

আরো পজিটিভ কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে মানবিক কর্মসূচি, রক্তদান, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, চিকিৎসার অভাবে পরে থাকা ব্যক্তিদের চিকিৎসা প্রদান, বিভিন্ন অসহায় ছাত্রলীগ কর্মীর পাশে দাঁড়ানো, করোনা কালে করোনা রোগির পাশে দাঁড়ানো, কর্ম অক্ষম ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানো, এতিমদের সহযোগীতা করা, শারিরিক প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়ানো, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, যৌন হয়রানি, ইভটিজিনং এর শিকার অসহায় ভুকর পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণসহ অসংখ্য ইতিবাচক, মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

সম্প্রতি বিশ্বের সর্ববৃহৎ সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার এসে বিভিন্ন অসংগতি তুলে ধরে সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণের বাধ্য করেন। এমনকি টিম পজেটিব বাংলাদেশের সদ্যসদের নিয়ে তিনি নিজ হাতে ময়লা পরিষ্কার করে দূষণমুক্ত নগরীতে পরিণত করার মতো দৃষ্টান্ত স্থাপন সত্যি প্রশংসনীয়।

করোনাকালীন সংকটের সময় তার মানবিক কর্মকাণ্ড ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। নিত্যদিন একেক জায়গায় একেক ধরনের সহযোগিতা পাঠিয়েছেন। তরুণরা জেলার যেকোন জায়গায় সমস্যায় পড়লেই প্রথমে মনে করেন গোলাম রাব্বানীর নাম। যোগাযোগ করতে পারলেই পেয়ে যান সহযোগিতা। এরকম একাধিক সহযোগিতা প্রাপ্ত ব্যক্তির সাথে কথা হয়েছে ক্যাম্পাস টাইমসের। তারা বলছেন, আমরা গোলাম রাব্বানীর কাছে যাওয়ার সাথে সাথেই নানান সমস্যার সমাধান পেয়েছি।

তারা বলেন, মানবিক কর্মকাণ্ডে আগ্রহী গোলাম রাব্বানীকে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয় । সমাজ তার প্রয়োজনেই গোলাম রাব্বানীকে আগলে রাখবে।

ক্যাম্পাস টাইমসকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং ডাকসুর সাবেক জিএস গোলাম রাব্বানী বলেন, আমি যখন থেকে বুঝতে শুরু করেছি তখন থেকে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি। আমারে প্রচেষ্টা আজীবন অব্যাহত থাকবে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সামাজিক কর্মকান্ড করে যেতে পারলেই নিজেকে সফল ভাববো।