আ.লীগের উপকমিটির সদস্য হলেন ঢাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামাল


ঢাকা | Published: 2021-02-18 00:42:34 BdST | Updated: 2021-03-06 04:29:09 BdST

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটি অনুমোদন করেছেন। এই উপ-কমিটির সদস্য হিসেবে পদ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং আইন ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. সেলিম মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ইতোপূর্বে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের প্রাক্তন হাইকমিশনার ড. সাইদুর রহমান খানকে এই উপকমিটির চেয়ারম্যান এবং ড. সেলিম মাহমুদকে সদস্যসচিব মনোনীত করেছেন।

উপকমিটির সদস্যরা হলেন- অর্থনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. দিপু মনি এমপি, তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিআরআই এর ট্রাস্টি নসরুল হামিদ এমপি, জাকিয়া পারভিন খানম এমপি, কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য গোলাম রাব্বানী চিনু, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দীন, অর্থনীতিবিদ ও জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. এস.এম মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, বিজিএমইএ প্রেসিডেন্ট ড. রুবানা হক, সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক কমিশনার ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হেলালুদ্দীন নিজামী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য ও ভূতত্ত্ববিদ ড. মাকসুদ কামাল, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, সমাজবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ ইসতিয়াক রেজা, নৌপরিবহন বিশেষজ্ঞ ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. হাসিবুল আলম প্রধান, ড. প্রণব কুমার পান্ডে, ব্রিগেডিয়ার (অব.) ডা. মো. শাহজাহান, ক্রিয়েটিভ ক্রাউড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নওশের রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. অসীম সরকার, চিকিৎসক ডা. জাহানারা আরজু, অধ্যাপক ড. শবনম জাহান, সাংবাদিক কাজী হেমায়েত হোসেন, গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শবনম আজিম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জুনায়েদ হালিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ শামসুর রহমান, দৈনিক ইত্তেফাকের প্রকাশক ও নির্বাহী পরিচালক তারিন হোসেন মঞ্জু, কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা, সাংবাদিক আশরাফুল আলম খোকন, ব্যারিস্টার সৌমিত্র সর্দার, অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক আসিফ, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ নাঈমুজ্জামান মুক্তা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেখ আদনান ফাহাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবিএম আশরাফুজ্জামান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাসরিন আক্তার, অ্যাডভোকেট শওকত আলী পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট আরেফা পারভীন তাপসী, এ কে এম সাজ্জাদ হোসেন শাহীন, অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান মিঠু, চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন, আমেনা কোহিনুর, অ্যাডভোকেট শামীমা সুলতানা, এস এম এনামুল হক আবীর, নাজমুল ইসলাম তুহিন, জিয়া উদ্দিন আহমেদ ভুইয়া, রাশিদুল বাশার ডলার, মোহাম্মাদ এমদাদুল হক, সাজ্জাদ সাকিব বাদশা, সাকিবুর রহমান শরিফ কনক, মাসুদ পারভেজ খান ইমরান, গাজী আহানাফ সাকিব, ডা. হোসাইন ইমাম, ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান হেভেন, সৈয়দ আবু তোহা, মাসুদ পথিক, আরিফ সোহেল, রায়হান কবির, রকিবুদ্দিন আহমেদ ঢালী, মাসুদ পারভেজ, হাসানুজ্জামান লিটন, সাংবাদিক মামুন অর রশিদ, লিপন মন্ডল, এস এম রেজাউল হাফিজ রেশিম প্রমুখ।

এ ছাড়া সারাদেশে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য বেশ কয়েকজন সাবেক ছাত্র ও যুব নেতাকে এই উপকমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ সব ব্যক্তি তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ ও সংরক্ষণে এই উপকমিটি এবং আওয়ামী লীগের ডাটাবেইজ টিমকে সার্বিকভাবে সহায়তা করবেন।

এই ক্যাটাগরিতে যাদের সদস্য করা হয়েছে, তাদের পর্যায়ক্রমে চিঠির মাধ্যমে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ।

তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহার ও রাষ্ট্রীয় কর্মপরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন এবং আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা টেকসই করার লক্ষ্যে দলকে তথ্য-উপাত্ত ও গবেষণা কর্মের মাধ্যমে সর্বোতভাবে সহায়তা করাই আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপকমিটির কাজ।

আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম জানান, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সব সূচকে অভাবনীয় ও বৈপ্লবিক সাফল্য অর্জনকারী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এই চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবেলায় সরকারের সক্ষমতা অনেকটা নির্ভর করছে দলের দক্ষতা ও মেধার উপর। তাই প্রতিনিয়ত তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণসহ নানামুখী কার্যক্রমের মাধ্যমে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে দক্ষতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।

এই উপকমিটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ পূর্বক সেগুলো দলের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থাপন এবং দলের প্রয়োজনে সব প্রাসঙ্গিক বিষয়ে গবেষণা কর্ম পরিচালনা ও তার ফলাফল সময়ে সময়ে সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে অবহিত করে থাকে। এটি মূলত আওয়ামী লীগের ‘থিঙ্ক ট্যাঙ্ক’ উপকমিটি।