হুইপ শামসুল হক ও শারুন হককে গ্রেফতারে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আলটিমেটাম


ঢাকা | Published: 2021-05-29 22:03:21 BdST | Updated: 2021-06-12 23:18:15 BdST

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহম্মদকে হত্যার হুমকিদাতা হুইপ শামসুল হক চৌধুরী এমপিকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার এবং সংসদ সদস্য পদ শূন্য ঘোষণাসহ দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।

আজ ২৯ মে শনিবার বিকাল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক মানববন্ধন থেকে আল্টিমেটাম দেয়া হয়।

বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: আল মামুনের সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আরোও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও দেশবরেণ্য ভাস্কর শিল্পী রাশা, সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি সনেট মাহমুদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি আরিফুর রহমান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাসুদ, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি মিলন ঢালীসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বিশিষ্ট ভাস্কর শিল্পী রাশা বলেন, "সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল অনিয়ম ও অসঙ্গতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার পাশাপাশি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করে যাচ্ছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। এর ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহম্মদকে হত্যার হুমকিদাতা হুইপ শামসুল হক চৌধুরী এমপিকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার এবং সংসদ সদস্য পদ শূন্য ঘোষণাসহ দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। জীবন বাজি রেখে দেশকে শত্রুমুক্ত করতে অস্ত্র হাতে নিয়েছিলেন সামছুদ্দিন আহম্মদ। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে দেশকে শত্রুমুক্ত করেছিলেন। চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার এবং আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এই জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ। ৮০ বছর বয়সী সেই মুক্তিযোদ্ধাকে লুঙ্গি খুলে পেটানোর হুমকি দিয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ এবং চট্টগ্রামের পটিয়ার সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরী ও তার ভাই মোহাম্মদ আলী নবাব। শুধু তা-ই নয়, তাঁকে লুঙ্গি খুলে বাজারে ঘোরানোর হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হুইপ, তার ভাই ও ছেলের অপকর্মের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় হুইপের আক্রমণাত্মক হুমকির মুখে পড়েছেন তিনি। এ বয়সে এসে এভাবে অপমানিত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহম্মদ। হুইপ ও তার পরিবারের লোকজন আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা ও সাধারণ মানুষদের ওপর এভাবেই প্রতিনিয়ত নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছেন।"

সংগঠনের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, "পটিয়ায় এমপির অন্যায়-অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহম্মদকে হুইপের ভাই মোহাম্মদ আলী নবাব এবং হুইপ প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছেন। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার হুমকি দেয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, হুইপ শামসুল হক চৌধুরী কখনোই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করেন না। তিনি স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন। হুইপ সামশুল হক চৌধুরী আওয়ামী লীগের লোক নন। তিনি আগে যুবদল এবং পরে জাতীয় পার্টি করতেন। সেখান থেকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নাম লিখিয়ে রাতারাতি পাল্টে গেছেন।
হুইপের ভাই মোহাম্মদ আলী নবাব একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে লুঙ্গি খুলে জনসমক্ষে ঘোরানোর হুমকি দিয়েছেন। জীবনের শেষ সময়ে এসে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে এভাবে লাঞ্ছিত হতে হবে, তা কখনোই সহ্য করবে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।"

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো: আল মামুন বলেন, "বঙ্গবন্ধুর ডাকে আমাদের পিতারা জীবন বাজি রেখে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে এনেছিল। কোন স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে দিবে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহম্মদ এর পুরো পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। হুইপ শামসুল হক চৌধুরীর সন্ত্রাসী বাহিনীর হুমকির ভয়ে তাঁর পরিবারের কোন সদস্য ঘর থেকে বের হতে পারছেন না। ১৯৬২ সাল থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহম্মদ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর তিনি সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছেন। অবৈধ সামরিক শাসক জিয়া ও এরশাদ সরকারের সময়ও তিনি অনেক নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তারপরেও দলের আদর্শ ছাড়েননি। এখন শেষ বয়সে এসে আবার হুইপের নির্যাতনের কবলে পড়েছেন। পটিয়ার সবকিছু এখন হুইপ পরিবারের নিয়ন্ত্রণে। সামশুল হক চৌধুরীর ভাই নবাব ও তার ছেলে শারুন পটিয়ার সকল কাজ নিয়ন্ত্রণ করেন। পটিয়ায় আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা শারুন গংদের নিকট অসহায়। বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহম্মদ ১৯৭২ সালে ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি। ১৯৭৫ সালের পর হন পটিয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। ২০১০ সাল পর্যন্ত ছিলেন পটিয়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে। ২০১৩ সাল পর্যন্ত ছিলেন পটিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। এতো বড় ত্যাগী নেতা হওয়ার পরেও শামসুল হক চৌধুরীর হুমকি থেকে রেহাই পাননি। দেশে বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিয়ত এভাবেই বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারদের ওপর হামলা-মামলা, নির্যাতন-নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।"

আল মামুন আরোও বলেন,
"গতকাল চট্টগ্রামে মীরসররাই উপজেলায় একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ শাজাহানকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। বারবার দাবি করা সত্ত্বেও আজও পর্যন্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অবমাননা করা মানে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধকে অবমাননা করার শামিল। এসব বন্ধ করার জন্য অবিলম্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করার দাবি জানাচ্ছি। গত ২০১৯ সালে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের সময় হুইপ শামসুল হক চৌধুরী দেশের প্রচলিত আইন ও সংবিধান বিরোধী বক্তব্য দিয়ে শপথ ভঙ্গ করেছিলেন। তিনি সংসদ সদস্য পদে থাকার নৈতিক যোগ্যতা হারিয়েছেন। সরকার ও দেশপ্রেমিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানকে বিতর্কিত করার জন্য অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগে জায়গা করে নেওয়া অনুপ্রবেশকারী শামসুল-শারুন গংরা একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড দ্বারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল অর্জনগুলোকে বিতর্কিত করার জন্য প্রতিনিয়ত অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। প্রথমে বিএনপি ও পরে জাতীয় পার্টি থেকে আসা নব্য হাইব্রিড নেতা হুইপ শামসুল হক চৌধুরী কর্তৃক ক্যাসিনো ও জুয়া খেলার সমর্থনে দেয়া বক্তব্যের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছিল যে, তিনি রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ছিলেন। অবৈধ ক্যাসিনো কে সমর্থন দিয়ে তিনি রাষ্ট্রের নির্দেশ অমান্য করেছিলেন। ক্যাসিনো অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা দিদারুল আলমকে হুইপ পুত্র শারুন হক চৌধুরী ফোন করে হত্যার হুমকি দিয়েছিল। কিন্তু আজও পর্যন্ত সেই ঘটনায় শারুন হকের বিচার হয়নি। ব্যাপক সমালোচনা ও বারবার দাবি করা সত্ত্বেও ক্যাসিনো সমর্থক হুইপ শামসুল হক চৌধুরী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা দিদারুল আলমকে হত্যার হুমকিদাতা শারুন হক চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়নি। সাংগঠনিকভাবেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি যা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা দিদারুল আলমকে হত্যার হুমকি প্রদান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র চালোনোর মহড়া প্রদর্শন, চট্টগ্রামে একজন ব্যাংক কর্মকর্তার আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার অভিযোগ ওঠার পরেও শারুন হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শারুন এখনো জেলের বাহিরে। তার বিরুদ্ধে আজও পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি যা কখনোই কাম্য নয়। চট্টগ্রামে পটিয়ার ত্যাগী নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষদেরকে নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে রক্ষা করার জন্য শারুন গংদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। কারণ আওয়ামী লীগ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য শারুন গংরাই যথেষ্ট। শারুন গংদের অপকর্মের বিচার না হওয়ার কারণেই প্রতিনিয়ত এধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহম্মদ এবং দিদারুল আলমকে হাইব্রিড অনুপ্রবেশকারী শামসুল-শারুন হক চৌধুরী গং দ্বারা হত্যার হুমকি পেতে হয়েছে। এটা সম্পূর্ণভাবে আওয়ামী লীগের দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী। এসব অপকর্মের কারণে শামসুল হক চৌধুরী দলীয় গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করেছেন। আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতাকে হত্যার হুমকি প্রদান এটা দলের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক। এদের অতীতের অপকর্মগুলোর বিচার হলে আজ হয়তো আরেকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা সামছুদ্দিন আহম্মদকে হত্যার হুমকি পেতে হতো না। হুইপ শামসুল হক চৌধুরী এবং তার পুত্র শারুন হক চৌধুরী কিভাবে সাহস পায় একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার হুমকি প্রদানের? এদের শক্তির উৎস কোথায়? এরা কি রাষ্ট্রের চেয়ে শক্তিশালী? মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট দাবি, অবিলম্বে হুইপ শামসুল হক চৌধুরীকে অবিলম্বে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করুন। বারবার শপথ ভঙ্গ করার পরেও কেন তাকে জাতীয় সংসদ থেকে অপসারণ করা হচ্ছে না? হুইপ ও তার পুত্রের অতীত অপকর্মগুলোর বিচার হলে আজ আরেকজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার হুমকি পেতে হতো না। হুইপ শামসুল হক চৌধুরীর পরিবারের সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব জাতির সামনে প্রকাশ করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কোন দুর্নীতিবাজদের ঠাঁই হবে না। বীর মুক্তিযোদ্ধা সামছুদ্দিন আহম্মদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা দিদারুল আলমকে হত্যার হুমকি দেয়ার অপরাধে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে অবিলম্বে হুইপ শামসুল হক চৌধুরী এবং তার ছেলে শারুন হক চৌধুরীকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও জাতীয় সংসদের স্পিকার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। আওয়ামী লীগের দলীয় পদ ও জাতীয় সংসদ থেকে শামসুল হক চৌধুরীকে অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ সমগ্র দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের সন্তানদের সাথে নিয়ে আরোও কঠোর কর্মসূচী পালন করা হবে।"