কুবির আবাসিক হলগুলোতে নেই খাবারের ভর্তুকি


Cumilla | Published: 2021-11-20 15:23:20 BdST | Updated: 2022-08-12 21:33:06 BdST

নাঈমুর রহমান রিজভী: দেশের ২৬তম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার ১৫ বছর পার করলেও এখনো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) হলগুলোতে নেই খাবারের ভর্তুকি। পাশাপাশি ক্যাম্পাস খুললেও করোনার প্রভাবে বন্ধ থাকা একমাত্র ক্যাফেটারিয়াটিও এখনও খুলেনি।

যার ফলে আর্থিক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোন বরাদ্দ না থাকায় হলগুলোতে ভালো খাবার পরিবেশন করা হয় না। আবার ব্যাক্তিগত খরচে খাবার খেতে চাইলে সেখানেও আর্থিক স্বচ্ছলতার অভাব রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি ছাত্র হল এবং একটি ছাত্রী হলসহ মোট চারটি হল রয়েছে। যেখানে ১ হাজারেরও বেশি আবাসিক শিক্ষার্থী অবস্থান করেন। প্রশাসনের কোন ভর্তুকি না থাকায় খাবারের জন্য তাদেরকে প্রতি বেলায় ৩৫ টাকা বা তারও বেশি অর্থ গুনতে হয়। এর মাধ্যমে দু'বেলা খাবার পাওয়া গেলেও সকালের নাস্তা নিজের খরচে খেতে হয়। আবাসিক হলের অধিকাংশ শিক্ষার্থী মধ্যবিত্ত ও নিন্ম মধ্যবিত্ত পরিবারের হওয়ায় খাবারের জন্য এতো টাকা ব্যয় করতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলের শিক্ষার্থী নুর উদ্দিন হোসাইন বলেন, প্রতিবেলায় খাবারের জন্য ৩৫ টাকা সবার পক্ষে বহন করা সম্ভব হয় না। যার ফলে অনেক শিক্ষার্থী খাবারের খরচ চালাতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত সবার কথা বিবেচনা করে হলগুলোতে খাবারের ভর্তুকি দেয়ার ব্যবস্থা করা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, এটা আমার দেখার বিষয় না। এটাতো বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দেখবে। এটা অনুমোদন আসলে আমরা বিবেচনায় নিতে পারবো। আমি জয়েন করার পর মাত্র হল খুলছে। সেইক্ষেত্রে আমি আবাসিক হলের ডাইনিং চালানোর প্রক্রিয়া জানি না। কর্তৃপক্ষ আমাদের জানালে আমরা বিস্তারিত ব্যবস্থা নিব।

সার্বিক বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, ভর্তুকির জন্য আমাদের কোন ফান্ড নেই। বিশ্ববিদ্যালয় একটা সরকারি প্রতিষ্ঠান। সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটা জিনিসে বাজেট হয়। ভর্তুকির ব্যাপারে সরকার থেকে কোন বাজেট না হলে তো আমাদের আর কিছু করার নাই। তবুও আবাসিক হলগুলোতে ভর্তুকির ব্যবস্থা করার জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।