এপিএ মূল্যায়নে প্রথম বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় ঢাবি


DU Correspondent | Published: 2022-10-03 19:48:39 BdST | Updated: 2022-11-30 14:22:15 BdST

দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (এপিএ) মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে প্রথম হয়েছে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

শনিবার (১ অক্টোবর) এপিএ মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ করে ইউজিসি।

 

ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, ১০০ নম্বরের মধ্যে ৯৯ দশমিক ৪৭ পেয়ে প্রথম হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৯৪ দশমিক ৪৮। তৃতীয় অবস্থানে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্ত নম্বর ৯৩ দশমিক ৭৫।

৯০ দশমিক ৪৯ নম্বর নিয়ে তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। পঞ্চম অবস্থানে থাকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস-এর প্রাপ্ত নম্বর ৮৯ দশমিক ২২। ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৮৮ দশমিক ৯৫। ৮৭ দশমিক ৬৭ নম্বর নিয়ে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। তালিকায় ৮ম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৮৫ দশমিক ২০, নবম অবস্থানে থাকা যশোর বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং দশম অবস্থানে থাকা চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্ত নম্বর ৮৫ দশমিক ০২।

 

মোট ছয়টি বিষয়ে ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে এ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে কৌশলগত উদ্দেশ্যগুলোর ক্ষেত্রে ৭০ নম্বর, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনার ক্ষেত্রে ১০, ই-গভর্ন্যান্স/উদ্ভাবন পরিকল্পনায় ১০, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনায় ৪, সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি কর্মপরিকল্পনায় ৩ এবং তথ্য অধিকার কর্ম পরিকল্পনায় ৩ নম্বর ধরা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, একটি প্রতিষ্ঠানে/সংস্থায় সেবা প্রদানে গতিশীলতা আনয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার ২০১৪-১৫ সাল থেকে দেশে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) চালু করে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার উন্নয়ন, সব স্তরের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিরূপণ এবং সরকার ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২০৩০ ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়ন অনেকটা সহজ হয়।