বিশ্বসেরা তরুণ নেতার খেতাব পেলেন মাশরাফি


ঢাকা | Published: 2021-03-11 15:54:03 BdST | Updated: 2021-04-19 06:06:12 BdST

ক্রিকেট মাঠে তিনি দেশের তো বটেই, ছিলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা অধিনায়কদের মধ্যে একজন। এবার খেলাধুলার বাইরে রাজনীতির মাঠেও বাজিমাত করলেন নেতা মাশরাফি।

সুইস সরকারের তত্ত্বাবধানে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা থেকে পরিচালিত সংস্থা ‘ইয়াং গ্লোবাল লিডার্স’-এর বিশ্বসেরা তরুণ নেতার খেতাব পেয়েছেন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা।

সারাবিশ্বে ২০২১ সালের জন্য ঘোষিত ১১২ জন তরুণ নেতাদের মধ্যে একজন মাশরাফি। বাংলাদেশ থেকে শুধুমাত্র তিনিই পেয়েছেন এই খেতাব। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চল থেকে বাছাইকৃত ১০ জন তরুণ নেতার মধ্যে একজন তিনি।

রাজনীতি, ব্যাবসা, একাডেমি, মিডিয়া, চারুকলায় উচ্চ স্বীকৃত ব্যক্তিরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ‘ইয়াং গ্লোবাল লিডার্স’ নির্বাচিত হয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে শর্ত একটাই, তাদের বয়স হতে হবে ৪০-র নিচে। বুধবার ঘোষণা করা হয়েছে ১১২ জন তরুণ নেতাদের নিয়ে এবারের ‘ইয়াং গ্লোবাল লিডার্স’ ক্লাস।

যেখানে আফ্রিকা থেকে ৯, আসিয়ান অঞ্চল থেকে ৯, অস্ট্রেলেশিয়া ও ওশেনিয়া থেকে ২, ক্যারিবীয় থেকে ১, ইউরেশিয়া থেকে ২, ইউরোপ থেকে ২৩, গ্রেটার চায়না থেকে ৯, জাপান থেকে ১, কোরিয়া ও উত্তর এশিয়া থেকে ৩, লাতিন আমেরিকা থেকে ৯, মিডল ইস্ট ও উত্তর আফ্রিকা থেকে ১৩, নর্থ আমেরিকা থেকে ২০ ও দক্ষিণ এশিয়া থেকে নির্বাচিত করা হয়েছে ১০ জনকে।

দক্ষিণ এশিয়া থেকে রয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা (বাংলাদেশ), অদিতি আওয়াস্থি (ভারত), শ্রিকান্ত বোল্লা (ভারত), মালেকা বোখারি (পাকিস্তান), নির্ভানা চৌধুরী (নেপাল), গাজাল কালরা (ভারত), শ্রিভার খেরুকা (ভারত), আমেয়া প্রভু (ভারত), হৃদয় রবীন্দ্রনাথ (ভারত) এবং হিতেশ বাধওয়া (ভারত)।

মাশরাফিকে ‘ইয়াং গ্লোবাল লিডার্স’-র এবারের ক্লাসের জন্য নির্বাচিত করে তারা লিখেছে, ‘মাশরাফি বিন মর্তুজা বাংলাদেশের একজন ক্রিকেটার ও ওয়ানডে দলের অধিনায়ক। অবসরের আগে তিনি টি-টোয়েন্টি দলেরও অধিনায়ক ছিলেন। তিনটি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের ফাইনালে নেতৃত্ব দিয়েছেন দলকে।

ক্রিকেটের বাইরে তিনি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নিজ শহর নড়াইলের মানুষের উন্নয়নের জন্য রাখছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তিনি ৬টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ভাবনা থেকে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাইন্ডেশনও প্রতিষ্ঠা করেন। লক্ষ্যগুলো হল- নাগরিকদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা ও বিশেষ শিক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহ করা, মানবিক শিক্ষাব্যবস্থা শুরুতে সাহায্য করা, তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা, ক্রীড়া প্রশিক্ষণ প্রদান, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি করা, চিত্রা নদীতে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন এবং নড়াইলকে তথ্যপ্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব শহরে রূপান্তর করা।’