রাবি ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের অনার্সের সনদ ভুয়া


ঢাকা | Published: 2024-06-04 23:33:12 BdST | Updated: 2024-07-23 21:42:03 BdST

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্র না হয়েও ভুয়া পরিচয় দিতেন শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুল্লা-হিল-গালিব। মঙ্গলবার (৪ জুন) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. মোজাম্মেল হোসেন বকুল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আসাদুল্লা-হিল-গালিব ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভুয়া সনদে’ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সান্ধ্য মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হয়েছেন, যা আংশিক ও অসম্পূর্ণ তথ্য। ওই ব্যক্তি এই বিভাগের ছাত্র নন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিলেন শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিব। তবে প্রথম বর্ষে উত্তীর্ণ হলেও টপকাতে পারেননি দ্বিতীয় বর্ষ। ড্রপ আউট হয়ে ছাত্রত্ব হারান তিনি।


বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ২৬তম সম্মেলন হওয়ার আগ থেকে তিনি নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সান্ধ্য মাস্টার্স কোর্সের ছাত্র বলে দাবি করতেন।


তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গালিব ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভুয়া সনদ’ দেখিয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তির আবেদন করেছিলেন। এরপর বিভাগের ভুয়া ছাত্রত্বের পরিচয় দিয়ে বাগিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ।

এ বিষয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন বকুল গণমাধ্যমকে বলেন, “সম্প্রতি আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখতে পাই ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদককে আমাদের বিভাগের সান্ধ্য মাস্টার্স কোর্সের শিক্ষার্থী বলে দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু তার অনার্সের সার্টিফিকেটে অসঙ্গতি থাকার কারণে তাকে এই বিভাগে ভর্তি নেওয়া হয়নি। এ বিষয়টি সকলকে জানাতে এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রচার করা হয়েছে।”

এ ব্যাপারে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিবকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক শাহিদুল ইসলাম শাহিন বলেন, “আমরা এ বিষয়ে তদন্ত করব। যদি বিষয়টি প্রমাণ হয় তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এ বিষয়ে ছাড় দেওয়ার কোনও সুযোগ নেই।”