রাবির আন্তঃহল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন সৈয়দ আমীর আলী হল


Shoeb Shuvro | Published: 2024-02-25 07:08:24 BdST | Updated: 2024-04-22 06:50:34 BdST

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আন্তঃহল বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৪-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সৈয়দ আমীর আলী হল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা দপ্তরের আয়োজনে এই প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা হয়।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা মুক্তমঞ্চে আন্তঃহল বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৪-এর ফাইনাল পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এতে শহীদ হবিবুর রহমান হলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ আমীর আলী হল।

ফাইনাল পর্বের সেরা বক্তার পাশাপাশি টুর্নামেন্টের শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক হয়েছেন সৈয়দ আমীর আলী হলের মামুনুজ্জামান স্নিগ্ধ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ এই আয়োজন প্রসঙ্গে বলেন, "রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশকে শিক্ষার্থীবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বর্তমান প্রশাসন বদ্ধপরিকর। সম্ভাবনায় তরুণ শিক্ষার্থীদের সুষ্ঠু মানসিক বিকাশের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজন করবে এবং করে যাচ্ছে। তারই ফলশ্রুতিতে আজকের এই আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হলো। বিতর্ক প্রতিযোগিতার টেকনিক্যাল কমিটিতে যারা ছিলেন, তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এছাড়া, সকল বিতার্কিকদের প্রতি রইল শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।"

বিতর্ক শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, "ছাত্র-উপদেষ্টা দপ্তরকে বিশেষ ধন্যবাদ জানাই এমন একটি আয়োজন করার জন্য। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে কল্যাণকামী যা কিছু আছে তার সাথে সংশ্লিষ্ট করা। তথ্য বিষয়ক নির্ভুল ধারণা থেকে জ্ঞানের সৃষ্টি; আর বিতার্কিকরা একটি জ্ঞানকে আরেকটি জ্ঞানের দ্বান্দ্বিক অবস্থানে দাঁড় করিয়ে দিয়ে আসল সত্যটাকে বের করেন। বিতর্ক একটি যুক্তিবাদী শিল্প। আমি প্রভোস্টদেরকে আহ্বান জানাবো, আপনার প্রত্যেক বছর নিজেদের হলে এমন একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করুন; বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে আমরা সহযোগিতা করবো।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. সুলতান-উল-ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাবি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক অবায়দুর রহমান প্রামানিক, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭টি হলের প্রাধ্যক্ষসহ প্রায় শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী।